ঘরে ফিরলেন দাওয়াত না পেয়ে বাড়িছাড়া ইদ্রিস

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বিয়েতে দাওয়াত না দেওয়ায় দুঃখ ও অভিমানে বাড়ি ছেড়ে যাওয়া এক চাচা ১৫ দিন পর পরিবারের কাছে ফিরে এসেছেন। জানা যায়, উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃষক ইদ্রিস আলী তার ভাইয়ের নাতনি রুমা আক্তারের বিয়েতে যথাযথভাবে দাওয়াত না পাওয়ায় ১০ এপ্রিল অভিমানে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। এরপর তিনি প্রায় ১২-১৩ দিন সিলেট ও ফেঞ্চুগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেন। পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে শনিবার (২৫ এপ্রিল) তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন এবং তার অভিমান ভাঙান। ইদ্রিস আলীর ভাতিজা রুবেল মিয়া জানান, তিনি চাচাকে দাওয়াত দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তখন তাকে না পাওয়ায় এবং পরবর্তীতে ব্যস্ততার কারণে আবার যেতে না পারায় এই ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়।  তিনি বলেন, আমি তাকে খুব ভালোবাসি। আমার এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আমি দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী। ইদ্রিস আলী বলেন, বুকভরা কষ্ট নিয়ে বাড়ি ছেড়েছিলাম। অনেক সময় ফুলের আঘাতের চেয়েও মানুষের আচরণ বেশি কষ্ট দেয়। অনেকের ওপর আমার কষ্ট রয়েছে, এলাকায় বিচার নেই বলেও মনে হয়েছে। তবে আমার ভাই, ভাতিজা বা নাতনির ও

ঘরে ফিরলেন দাওয়াত না পেয়ে বাড়িছাড়া ইদ্রিস

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বিয়েতে দাওয়াত না দেওয়ায় দুঃখ ও অভিমানে বাড়ি ছেড়ে যাওয়া এক চাচা ১৫ দিন পর পরিবারের কাছে ফিরে এসেছেন।

জানা যায়, উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃষক ইদ্রিস আলী তার ভাইয়ের নাতনি রুমা আক্তারের বিয়েতে যথাযথভাবে দাওয়াত না পাওয়ায় ১০ এপ্রিল অভিমানে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। এরপর তিনি প্রায় ১২-১৩ দিন সিলেট ও ফেঞ্চুগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেন।

পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে শনিবার (২৫ এপ্রিল) তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন এবং তার অভিমান ভাঙান।

ইদ্রিস আলীর ভাতিজা রুবেল মিয়া জানান, তিনি চাচাকে দাওয়াত দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তখন তাকে না পাওয়ায় এবং পরবর্তীতে ব্যস্ততার কারণে আবার যেতে না পারায় এই ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। 

তিনি বলেন, আমি তাকে খুব ভালোবাসি। আমার এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আমি দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।

ইদ্রিস আলী বলেন, বুকভরা কষ্ট নিয়ে বাড়ি ছেড়েছিলাম। অনেক সময় ফুলের আঘাতের চেয়েও মানুষের আচরণ বেশি কষ্ট দেয়। অনেকের ওপর আমার কষ্ট রয়েছে, এলাকায় বিচার নেই বলেও মনে হয়েছে। তবে আমার ভাই, ভাতিজা বা নাতনির ওপর কোনো অভিযোগ নেই।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow