ঘামের গন্ধে বিব্রত? সমাধান আছেই ঘরে
ঘামের গন্ধ অনেক সময়ই অস্বস্তিকর পরিস্থিতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নিজের কাছে যেমন বিরক্তিকর, তেমনি আশপাশের মানুষদের কাছেও হতে পারে বিব্রতকর। বিশেষ করে গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় এই সমস্যা আরও বাড়ে। ঘামের দুর্গন্ধ মূলত তৈরি হয় ঘাম ও ব্যাকটেরিয়ার মিশ্রণে। অতিরিক্ত ঘামের পেছনে বংশগত কারণ, ওজন বেশি হওয়া, থাইরয়েড বা হরমোনজনিত সমস্যা, শরীরে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের ঘাটতি, এমনকি মানসিক চাপও দায়ী হতে পারে। যদি কোনো শারীরিক সমস্যার কারণে অতিরিক্ত ঘাম হয়, তাহলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। অনেকেই ভাবেন, দামি পারফিউম বা ডিওডোরেন্টই একমাত্র সমাধান। কিন্তু জানেন কি, আপনার ঘরেই থাকা কিছু সাধারণ উপকরণ দিয়ে সহজেই দূর করা যায় এই সমস্যার মূল কারণ? একটু সচেতনতা আর ঘরোয়া কিছু টিপস মেনে চললেই মিলতে পারে দীর্ঘস্থায়ী স্বস্তি। আরও পড়ুন: অকালে চুল পাকা কমাতে প্রতিদিন খান এই খাবার বৃষ্টির দিনেও জরুরি সানস্ক্রিন, জানুন কারণ গোসলের সময় সতর্কতা অনেকে মনে করেন বারবার বা দীর্ঘ সময় ধরে গোসল করলে ঘাম কমে যাবে, কিন্তু এটি পুরোপুরি ঠিক নয়। বরং ঋতুভেদে পানির তাপমাত্রা ঠিক রাখা গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-গরমে হালকা ঠান
ঘামের গন্ধ অনেক সময়ই অস্বস্তিকর পরিস্থিতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নিজের কাছে যেমন বিরক্তিকর, তেমনি আশপাশের মানুষদের কাছেও হতে পারে বিব্রতকর। বিশেষ করে গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় এই সমস্যা আরও বাড়ে।
ঘামের দুর্গন্ধ মূলত তৈরি হয় ঘাম ও ব্যাকটেরিয়ার মিশ্রণে। অতিরিক্ত ঘামের পেছনে বংশগত কারণ, ওজন বেশি হওয়া, থাইরয়েড বা হরমোনজনিত সমস্যা, শরীরে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের ঘাটতি, এমনকি মানসিক চাপও দায়ী হতে পারে। যদি কোনো শারীরিক সমস্যার কারণে অতিরিক্ত ঘাম হয়, তাহলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
অনেকেই ভাবেন, দামি পারফিউম বা ডিওডোরেন্টই একমাত্র সমাধান। কিন্তু জানেন কি, আপনার ঘরেই থাকা কিছু সাধারণ উপকরণ দিয়ে সহজেই দূর করা যায় এই সমস্যার মূল কারণ? একটু সচেতনতা আর ঘরোয়া কিছু টিপস মেনে চললেই মিলতে পারে দীর্ঘস্থায়ী স্বস্তি।
আরও পড়ুন:
গোসলের সময় সতর্কতা
অনেকে মনে করেন বারবার বা দীর্ঘ সময় ধরে গোসল করলে ঘাম কমে যাবে, কিন্তু এটি পুরোপুরি ঠিক নয়। বরং ঋতুভেদে পানির তাপমাত্রা ঠিক রাখা গুরুত্বপূর্ণ। যেমন-গরমে হালকা ঠান্ডা ও শীতে কুসুম গরম পানি ব্যবহার করা ভালো।
গোসলের পানিতে গ্রিন টি বা গোলাপজলের নির্যাস মিশিয়ে নিতে পারেন, যা দুর্গন্ধ কমাতে সহায়ক। বেশি ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার না করে মাইল্ড ক্লিনজার ব্যবহার করা ভালো। শরীরের ভাঁজযুক্ত জায়গা যেমন- বগল, গলা, কুঁচকি পরিষ্কার রাখার দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। গোসলের পর নরম কাপড় দিয়ে আলতো করে শরীর মুছে কিছু সময় পর পোশাক পরা উচিত।
বেকিং সোডার ব্যবহার
এক টেবিল চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে দুই টেবিল চামচ বেকিং পাউডার মিশিয়ে সংরক্ষণ করতে পারেন। গোসলের পর বা রাতে ঘুমানোর আগে শরীরের ভাঁজে লাগালে দুর্গন্ধ কমাতে সাহায্য করে।
আরামদায়ক পোশাক বেছে নিন
ঘাম দ্রুত শুকানোর জন্য ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক পোশাক পরা জরুরি। সুতির কাপড় সবচেয়ে ভালো, কারণ এটি বাতাস চলাচল সহজ করে। প্রতিদিন পরিষ্কার মোজা ও অন্তর্বাস ব্যবহার করা উচিত এবং এগুলো নিয়মিত ধুয়ে রাখা প্রয়োজন।
খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন
অতিরিক্ত তেল, চিনি, লবণযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাওয়ার চেষ্টা করুন। চা-কফির মতো ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় কমিয়ে গ্রিন টি বা হারবাল টি বেছে নিতে পারেন। ধূমপান থেকেও দূরে থাকা ভালো। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করলে শরীরের বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে দুর্গন্ধ কমাতে সাহায্য করে।
লেবুর ব্যবহার
লেবু শরীরের পিএইচের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। লেবুর রস শরীরের ভাঁজে ১০ মিনিট লাগিয়ে রেখে পরে ধুয়ে ফেললে দুর্গন্ধ অনেকটাই কমে যায়।
সামান্য কিছু সচেতনতা ও নিয়ম মেনে চললেই ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব, আর ফিরে পাওয়া যায় স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাস।
তথ্যসূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে
জেএস/
What's Your Reaction?