গোপনে আরব আমিরাতে গিয়েছিলেন আইডিএফ প্রধান, ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের দাবি
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) চিফ অব স্টাফ লেফট্যান্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির। হিব্রু গণমাধ্যমের শুক্রবারের (১৫ মে) এক প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধকালীন সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করা শীর্ষ ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের তালিকায় সর্বশেষ নাম হিসেবে যুক্ত হয়েছেন ইয়াল জামির। এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এবং নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের প্রধানদের গোপন সফরের খবর সামনে আসে।
তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত এর আগে এ ধরনের কোনো অঘোষিত সফরের দাবি নাকচ করে দিয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক যোগাযোগ স্বচ্ছ ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে।
ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যমের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়াল জামির আরও দুই সামরিক কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে আমিরাত সফরে যান এবং সেখানে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। ত
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) চিফ অব স্টাফ লেফট্যান্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির। হিব্রু গণমাধ্যমের শুক্রবারের (১৫ মে) এক প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধকালীন সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করা শীর্ষ ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের তালিকায় সর্বশেষ নাম হিসেবে যুক্ত হয়েছেন ইয়াল জামির। এর আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এবং নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের প্রধানদের গোপন সফরের খবর সামনে আসে।
তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত এর আগে এ ধরনের কোনো অঘোষিত সফরের দাবি নাকচ করে দিয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ইসরায়েলের সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক যোগাযোগ স্বচ্ছ ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে।
ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যমের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ইয়াল জামির আরও দুই সামরিক কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে আমিরাত সফরে যান এবং সেখানে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
এর আগে মার্কিন প্রশাসনের একাধিক সূত্রের বরাতে বলা হয়, যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইসরায়েল সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘আয়রন ডোম’ মোতায়েন করেছে এবং সেটি পরিচালনার জন্য ইসরায়েলি সেনাও সেখানে অবস্থান করছে।
চলমান সংঘাতের সময়সীমা নিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হয়ে এপ্রিলে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানো এই সংঘর্ষের সময় একাধিক ইসরায়েলি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা গোপনে আমিরাত সফর করেন।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকেও একপর্যায়ে দাবি করা হয়, তিনি যুদ্ধকালীন সময়ে আমিরাত সফর করেছিলেন। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে সেই দাবি অস্বীকার করে একে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে উল্লেখ করে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধ ঘিরে উপসাগরীয় অঞ্চলে কৌশলগত সমীকরণ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতার পর আমিরাত অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করলেও তা পুরোপুরি সফল হয়নি বলে বিভিন্ন ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর মধ্যে সৌদি আরব, কাতারসহ কয়েকটি দেশ ভিন্ন অবস্থান নেওয়ায় আঞ্চলিক বিভক্তি আরও স্পষ্ট হয়েছে। পরিস্থিতি জটিল হওয়ার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক ভারসাম্য নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।