চকরিয়ায় বন্যার পানিতে দুজনের মৃত্যু, ২৩ ঘণ্টা পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজারের চকরিয়ায় বন্যার পানিতে পৃথক ঘটনায় এক কিশোর ও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বন্যার স্রোতে ভেসে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৩ ঘণ্টা পর এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। নিহতরা হলেন উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের খোঁজাখালী জলদাশপাড়ার তুফান দাশের ছেলে সুজিত দাশ (১২) এবং বরইতলী ইউনিয়নের শান্তিবাজার ফতেহ আলী সিকদারপাড়ার মাওলানা নেছার আহমদের ছেলে হাফেজ মাওলানা আতাউল্লাহ (২০)। জানা গেছে, শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের খোজাখালী জলদাশপাড়া এলাকায় বন্যার পানিতে পড়ে নিখোঁজ হয় সুজিত দাশ। সে আরও তিন বন্ধুর সঙ্গে সেখানে ছিল। অন্যরা ফিরে এলেও সুজিত আর ফেরেনি। খবর পেয়ে চকরিয়া ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে প্রবল স্রোতের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে রোববার (১২ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল মাতামুহুরী নদীর তীরসংলগ্ন এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের নর্থ জোনের ইনচার্জ পরিদর্শক দিদারুল হক বলেন, নিখোঁজ হওয়ার স্থানে পানির তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হয়েছ
কক্সবাজারের চকরিয়ায় বন্যার পানিতে পৃথক ঘটনায় এক কিশোর ও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বন্যার স্রোতে ভেসে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৩ ঘণ্টা পর এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
নিহতরা হলেন উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের খোঁজাখালী জলদাশপাড়ার তুফান দাশের ছেলে সুজিত দাশ (১২) এবং বরইতলী ইউনিয়নের শান্তিবাজার ফতেহ আলী সিকদারপাড়ার মাওলানা নেছার আহমদের ছেলে হাফেজ মাওলানা আতাউল্লাহ (২০)।
জানা গেছে, শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের খোজাখালী জলদাশপাড়া এলাকায় বন্যার পানিতে পড়ে নিখোঁজ হয় সুজিত দাশ। সে আরও তিন বন্ধুর সঙ্গে সেখানে ছিল। অন্যরা ফিরে এলেও সুজিত আর ফেরেনি।
খবর পেয়ে চকরিয়া ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তবে প্রবল স্রোতের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে রোববার (১২ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল মাতামুহুরী নদীর তীরসংলগ্ন এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের নর্থ জোনের ইনচার্জ পরিদর্শক দিদারুল হক বলেন, নিখোঁজ হওয়ার স্থানে পানির তীব্র স্রোতের কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হয়েছিল। পরে ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে একই দিন বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তিবাজার ফতেহ আলী সিকদারপাড়ায় বন্যার পানিতে ডুবে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন হাফেজ মাওলানা আতাউল্লাহ। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বরইতলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নাছিম হেজাজী আতাউল্লাহর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার কালবেলাকে বলেন, বন্যার পানিতে ডুবে নিহত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের পরিবারের সদস্যদের নগদ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
What's Your Reaction?