চট্টগ্রামের বন্যা মোকাবিলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন

চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা জেলার বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় চার লাখ মানুষ পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এসব এলাকায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ভারী বৃষ্টিতে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতেও বন্যা দেখা দেওয়ায় সেখানে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাসদস্যরা আটকে পড়া মানুষের উদ্ধার এবং ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। দ্রুত ও সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনার জন্য বন্যাকবলিত

চট্টগ্রামের বন্যা মোকাবিলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন

চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যরা জেলার বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় চার লাখ মানুষ পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এসব এলাকায় ১০ পদাতিক ডিভিশনের উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মোতায়েন করা হয়েছে।

এছাড়া ভারী বৃষ্টিতে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতেও বন্যা দেখা দেওয়ায় সেখানে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাসদস্যরা আটকে পড়া মানুষের উদ্ধার এবং ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। দ্রুত ও সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনার জন্য বন্যাকবলিত এলাকায় তিনটি অস্থায়ী ক্যাম্পও স্থাপন করা হয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দুর্গত এলাকায় অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর এই কার্যক্রম চলবে।

এমআরএএইচ/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow