চট্টগ্রামে বন্যা শেষে এইচএসসি শুরু, প্রথম দিনেই অনুপস্থিত ১৮২৫
বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির পর বিরতি দিয়ে আবারও শুরু হওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিনেই চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ১ হাজার ৮২৫ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। ভারী বর্ষণ ও ভয়াবহ বন্যার কারণে দীর্ঘ ১৯ দিন স্থগিত থাকার পর সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডসহ মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষা পুনরায় শুরু হয়। ৫ জুলাই থেকে টানা ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রামে বন্যায় তলিয়ে যায় জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। নগরীতেও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ৮ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। ১৬ জুলাই পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের স্থগিত ঘোষণা করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন পাঁচ জেলায় মোট ৭৭ হাজার ৫৫৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছেন ৭৫ হাজার ৭৩১ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১ হাজার ৮২৫ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম দিনের পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন। সব মিলিয়ে ১১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হ
বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির পর বিরতি দিয়ে আবারও শুরু হওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রথম দিনেই চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ১ হাজার ৮২৫ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।
ভারী বর্ষণ ও ভয়াবহ বন্যার কারণে দীর্ঘ ১৯ দিন স্থগিত থাকার পর সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডসহ মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষা পুনরায় শুরু হয়।
৫ জুলাই থেকে টানা ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রামে বন্যায় তলিয়ে যায় জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। নগরীতেও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ৮ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। ১৬ জুলাই পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের স্থগিত ঘোষণা করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড।
পরীক্ষায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন পাঁচ জেলায় মোট ৭৭ হাজার ৫৫৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছেন ৭৫ হাজার ৭৩১ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১ হাজার ৮২৫ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ২ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে প্রকাশিত দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম দিনের পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন। সব মিলিয়ে ১১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নিয়মিত রুটিন অনুযায়ী, সোমবার সকাল ১০টা থেকে চট্টগ্রামসহ সারা দেশে পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র এবং ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থীরা ইসলামের ইতিহাস, পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (তত্ত্বীয়) এবং তাজভিদ দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায় অংশ নেয়। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষার্থীরা হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট-১ বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নেয়।
জেলাভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, চট্টগ্রাম জেলায় ৫৬ হাজার ৫৮৭ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছেন ৫৫ হাজার ৩৮৫ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১ হাজার ২০২ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন। কক্সবাজারে ৯ হাজার ৯২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ২৬৩ জন। রাঙামাটিতে ৩ হাজার ৯৬৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ১০৯ জন। খাগড়াছড়িতে ৫ হাজার ২১৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ১৫৪ জন এবং বান্দরবানে ২ হাজার ৬৯২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৯৭ জন।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বলেন, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় প্রায় দুই সপ্তাহ পর পুনরায় এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সব কেন্দ্রেই সার্বিক পরিস্থিতি ভালো ছিল।
What's Your Reaction?