চট্টগ্রামে মাদ্রাসা সুপারকে পিটিয়ে হত্যা
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক মাদ্রাসা সুপারকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত মাওলানা আবুল কাশেম (৬০) চরম্বা জামেউল উলুম মাদ্রাসার সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মাওলানা আবুল কাশেমের পরিবারের সঙ্গে তাঁর চাচাতো ভাইদের জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে বুধবার সকালে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা দিয়ে হামলা চালায়। এতে মাওলানা আবুল কাশেম গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের ছেলে ফোরকান অভিযোগ করে বলেন, “পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে আমার পিতাকে হত্যা করেছে। সকালে শামসু, হারুন ও জামাল ড্রাইভার আমাদের জায়গা দখল করতে আসে। আমরা বাধা দিলে আমার বাবা ঘটনাস্থলে যান। এ সময় তারা গাছের বাটাম দিয়ে পিটিয়ে তাঁকে হত্যা করে।” লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার প
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক মাদ্রাসা সুপারকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত মাওলানা আবুল কাশেম (৬০) চরম্বা জামেউল উলুম মাদ্রাসার সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মাওলানা আবুল কাশেমের পরিবারের সঙ্গে তাঁর চাচাতো ভাইদের জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধকে কেন্দ্র করে বুধবার সকালে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা দিয়ে হামলা চালায়। এতে মাওলানা আবুল কাশেম গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ছেলে ফোরকান অভিযোগ করে বলেন, “পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে আমার পিতাকে হত্যা করেছে। সকালে শামসু, হারুন ও জামাল ড্রাইভার আমাদের জায়গা দখল করতে আসে। আমরা বাধা দিলে আমার বাবা ঘটনাস্থলে যান। এ সময় তারা গাছের বাটাম দিয়ে পিটিয়ে তাঁকে হত্যা করে।”
লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এজাজুল ইসলাম সিহাব বলেন, “দুপুর ১২টার দিকে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত আবুল কাশেম নামের এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।”
সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী বলেন, লোহাগাড়ায় জায়গাজমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
What's Your Reaction?