চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা জামায়াতপন্থিদের

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’। একই সঙ্গে বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে দুই মাসের মধ্যে নতুন কমিশন গঠন ও পুনরায় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছে তারা। বুধবার (৬ মে) বিকেলে সমিতির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন প্যানেলের নেতারা। লিখিত বক্তব্যে প্যানেলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুল আলম বলেন, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা হারিয়ে একটি পক্ষকে সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। এতে সমিতির গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার সময় তাদের প্রার্থীরা বাধার মুখে পড়েছেন। অনেককে কমিশন কার্যালয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী ৫ মে বিকেল ৫টার মধ্যে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কমিশনের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ করা হয়। এ ছাড়া নির্বাচন না করে আপসের মাধ্য

চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা জামায়াতপন্থিদের

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে স্বেচ্ছাচারিতা, অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ আইনজীবী পরিষদ’। একই সঙ্গে বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে দুই মাসের মধ্যে নতুন কমিশন গঠন ও পুনরায় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছে তারা।

বুধবার (৬ মে) বিকেলে সমিতির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন প্যানেলের নেতারা।

লিখিত বক্তব্যে প্যানেলের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শামসুল আলম বলেন, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা হারিয়ে একটি পক্ষকে সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। এতে সমিতির গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও বলেন, মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার সময় তাদের প্রার্থীরা বাধার মুখে পড়েছেন। অনেককে কমিশন কার্যালয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী ৫ মে বিকেল ৫টার মধ্যে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কমিশনের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ করা হয়।

এ ছাড়া নির্বাচন না করে আপসের মাধ্যমে নির্দিষ্ট প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন প্যানেলের নেতারা। এতে রাজি না হওয়ায় প্রার্থীদের ওপর চাপ ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

পুলিশ ও প্রশাসনের মাধ্যমে হয়রানির আশঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তারা। সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে দাবি করে আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসনের নির্বাচন’ আখ্যা দিয়ে বর্জনের ঘোষণা দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে বর্তমান কমিশন বাতিল করে নিরপেক্ষ কমিশনের অধীনে নতুন করে নির্বাচনের দাবি জানান প্যানেলের নেতারা।

এর আগে, গত সোমবার একই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বামপন্থি ঘরানার আইনজীবীরাও মনোনয়নপত্র সংগ্রহে বাধার অভিযোগ করেছিলেন।

এমআরএএইচ/এমএমএআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow