চট্টগ্রাম-কক্সবাজার দূরত্ব কমবে ৩৫ কিমি
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ‘আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন’ প্রকল্প অনুমোদন করেছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে সড়কপথের দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার কমবে। একই সঙ্গে ঢাকা থেকে কক্সবাজারের দূরত্বও প্রায় ৫০ কিলোমিটার কমে আসবে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রকল্প অনুমোদনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া, মাতামুহুরী এলাকা এবং দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও বাঁশখালীজুড়ে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশের খবর পাওয়া গেছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) চট্টগ্রাম দক্ষিণ সূত্রে জানা গেছে, কর্ণফুলী টানেলের ব্যবহার বাড়ানো এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার যোগাযোগ আরও সহজ করতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে আনোয়ারা-দোহাজারি-কক্সবাজার বাইপাস সংযোগ সড়ক এবং আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) আঞ্চলিক মহাসড়ক।
অ
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ‘আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন’ প্রকল্প অনুমোদন করেছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে সড়কপথের দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার কমবে। একই সঙ্গে ঢাকা থেকে কক্সবাজারের দূরত্বও প্রায় ৫০ কিলোমিটার কমে আসবে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
প্রকল্প অনুমোদনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া, মাতামুহুরী এলাকা এবং দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও বাঁশখালীজুড়ে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ ও উচ্ছ্বাস প্রকাশের খবর পাওয়া গেছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) চট্টগ্রাম দক্ষিণ সূত্রে জানা গেছে, কর্ণফুলী টানেলের ব্যবহার বাড়ানো এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার যোগাযোগ আরও সহজ করতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে আনোয়ারা-দোহাজারি-কক্সবাজার বাইপাস সংযোগ সড়ক এবং আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) আঞ্চলিক মহাসড়ক।
অনুমোদিত প্রকল্পের আওতায় আনোয়ারার লাবিবা কমিউনিটি সেন্টার থেকে শুরু হয়ে বাঁশখালী, টইটং, পেকুয়া ও বদরখালী হয়ে চকরিয়ার ঈদমনি পর্যন্ত প্রায় ৫৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ১০ দশমিক ৩ মিটার প্রশস্ত মহাসড়ক নির্মাণ করা হবে। প্রাথমিকভাবে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৮৩ কোটি টাকা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। একই সঙ্গে পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রাম দক্ষিণের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বলেন, ‘প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পেয়েছে। এখন জরিপ কার্যক্রম, প্রকল্প পরিচালকের নিয়োগ এবং টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।’
প্রকল্পটি অনুমোদনের পর স্থানীয়ার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশাপশি চকরিয়া-পেকুয়া থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছে।
একনেক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবারের সভায় মোট ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ৫টি নতুন প্রকল্প, ৩টি সংশোধিত প্রকল্প এবং দুটি মেয়াদ বৃদ্ধি পাওয়া প্রকল্প। সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।