চট্টগ্রাম নগরীতে কমেছে জলাবদ্ধতা, স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে নগরজীবন
টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম নগরীতে অবশেষে ফিরেছে স্বস্তি। সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল থেকে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নগরীর অধিকাংশ এলাকার জমে থাকা পানি নেমে গেছে। এতে প্রধান সড়কগুলোতে স্বাভাবিক হয়েছে যান চলাচল, খুলেছে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে নগরজীবন। সকাল থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় নগরীর বিভিন্ন খাল, নালা ও ড্রেন দিয়ে জমে থাকা পানি দ্রুত সরে যেতে শুরু করে। কয়েক দিনের দুর্ভোগের পর মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, চকবাজার, দুই নম্বর গেট, জিইসি মোড়, ওয়াসা মোড়, আগ্রাবাদ, হালিশহর, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, ষোলশহর, প্রবর্তক মোড়সহ বিভিন্ন এলাকার প্রধান সড়কগুলো পানিমুক্ত হয়। নিচু এলাকাগুলো থেকেও পানি নেমে যাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সোমবার সকাল থেকে নগরের বিভিন্ন সড়কে যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলাচল করতে দেখা গেছে। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের উপস্থিতিও ছিল অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক বেশি। কয়েক দিন ধরে জলাবদ্ধতার কারণে বন্ধ থাকা কিংবা সীমিত পরিসরে চলা অনেক দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে এসেছে।
টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম নগরীতে অবশেষে ফিরেছে স্বস্তি। সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল থেকে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নগরীর অধিকাংশ এলাকার জমে থাকা পানি নেমে গেছে। এতে প্রধান সড়কগুলোতে স্বাভাবিক হয়েছে যান চলাচল, খুলেছে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে নগরজীবন।
সকাল থেকে বৃষ্টি না হওয়ায় নগরীর বিভিন্ন খাল, নালা ও ড্রেন দিয়ে জমে থাকা পানি দ্রুত সরে যেতে শুরু করে। কয়েক দিনের দুর্ভোগের পর মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, চকবাজার, দুই নম্বর গেট, জিইসি মোড়, ওয়াসা মোড়, আগ্রাবাদ, হালিশহর, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, ষোলশহর, প্রবর্তক মোড়সহ বিভিন্ন এলাকার প্রধান সড়কগুলো পানিমুক্ত হয়। নিচু এলাকাগুলো থেকেও পানি নেমে যাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সোমবার সকাল থেকে নগরের বিভিন্ন সড়কে যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলাচল করতে দেখা গেছে। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীদের উপস্থিতিও ছিল অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক বেশি। কয়েক দিন ধরে জলাবদ্ধতার কারণে বন্ধ থাকা কিংবা সীমিত পরিসরে চলা অনেক দোকানপাট ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে এসেছে।
কয়েক দিনের টানা বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীর অধিকাংশ নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক বাসাবাড়ি, দোকানপাট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ে। সড়কে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে থাকায় নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কোথাও কোথাও যানজট, যানবাহন বিকল এবং কর্মঘণ্টা নষ্ট হওয়ার ঘটনাও ঘটে।
সোমবার নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ সড়ক থেকে পানি সরে গেছে। মুরাদপুর এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ শাহেদ বলেন, কয়েক দিনের দুর্ভোগের পর আজ সকাল থেকে স্বস্তি ফিরেছে। বাসার সামনে থেকে পানি নেমে গেছে।
একই এলাকার বাসিন্দা জোনায়েদ আহমদ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আবার টানা ভারী বৃষ্টি শুরু হলে নতুন করে জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে। তাই স্থায়ী সমাধানে খাল-নালা দখলমুক্ত করা, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং চলমান জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতি অনুরোধ জানান।
চকবাজার কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী মো. রাশেদ বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে কয়েক দিন ব্যবসা প্রায় বন্ধ ছিল। আজ সকাল থেকে বৃষ্টি না থাকায় সব স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। বাজারে ক্রেতার সমাগম বেড়েছে।
পানি নেমে গেলেও টানা ভারী বৃষ্টি বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে সড়কগুলোর কার্পেটিং উঠে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষ এবং যানবাহনগুলোকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
সিটি করপোরেশন, জেলা প্রশাসন, ওয়াসা ও সিডিএ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নিরবচ্ছিন্নভাবে সবকিছুর নজরদারি করছে। কোথাও পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা থাকলে তা দ্রুত অপসারণের মাধ্যমে নগরবাসীর দুর্ভোগ কমিয়ে আনতে সবসময় সজাগ রয়েছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ বিশ্বজিৎ চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে থেমে থেমে বৃষ্টি হবে, এ মুহূর্তে বৃষ্টি একেবারেই কমার সম্ভাবনা নেই। তবে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা এখন নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১১৫.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
What's Your Reaction?