৬০ টাকার সড়কবাতি ৯১০: সেই পৌর কর্মচারী বদলি
ঠিকাদারি কাজে পণ্যের প্রকৃত মূল্যের চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ ব্যয় দেখানো জামালপুরের ইসলামপুর পৌরসভার কার্য সহকারী বুলবুল আহমেদকে শাস্তিমূলক বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাকে নেত্রকোনার সীমান্ত এলাকা দুর্গাপুর পৌরসভায় বদলি করা হয়েছে। ময়মনসিংহের বিভাগীয় কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক জন কেনেডি জাম্বিলের সই করা চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) বুলবুল আহমেদের বদলির বিষয়টি জানাজানি হয়। এর আগে রোববার বুলবুল আহমেদের বদলির আদেশ দেওয়া হলেও সেটি হাতে না পাওয়ার দাবি করেছেন। তিনি কালবেলাকে বলেন, ‘আমি কোনো চিঠি পাইনি, তবে শুনেছি।’ জানা গেছে, বদলি ঠেকাতে তিনি ইতোমধ্যে বিভিন্ন দপ্তরে তদবির শুরু করেছেন। পৌরসভা সূত্র জানায়, চাকরির শুরু থেকেই ইসলামপুর পৌরসভায় প্রভাবের সঙ্গে চাকরি করছেন বুলবুল আহমেদ। তার বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পুরোনো। সম্প্রতি বুলবুল আহমেদের বিরুদ্ধে পৌরসভার ঠিকাদারি করে ১৯০ টাকার ব্লকের মূল্য প্রায় ২০ গুণ বেশি এবং ৬০ টাকার সড়কবাতির পেছনে ১৫ গুণ বেশি টাকা ব্যয়ের অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে গত ১১ এপ্রিল দৈনিক কালবেলা পত্রিকায় ‘১৯০ টাকার
ঠিকাদারি কাজে পণ্যের প্রকৃত মূল্যের চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ ব্যয় দেখানো জামালপুরের ইসলামপুর পৌরসভার কার্য সহকারী বুলবুল আহমেদকে শাস্তিমূলক বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাকে নেত্রকোনার সীমান্ত এলাকা দুর্গাপুর পৌরসভায় বদলি করা হয়েছে।
ময়মনসিংহের বিভাগীয় কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক জন কেনেডি জাম্বিলের সই করা চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) বুলবুল আহমেদের বদলির বিষয়টি জানাজানি হয়।
এর আগে রোববার বুলবুল আহমেদের বদলির আদেশ দেওয়া হলেও সেটি হাতে না পাওয়ার দাবি করেছেন। তিনি কালবেলাকে বলেন, ‘আমি কোনো চিঠি পাইনি, তবে শুনেছি।’
জানা গেছে, বদলি ঠেকাতে তিনি ইতোমধ্যে বিভিন্ন দপ্তরে তদবির শুরু করেছেন।
পৌরসভা সূত্র জানায়, চাকরির শুরু থেকেই ইসলামপুর পৌরসভায় প্রভাবের সঙ্গে চাকরি করছেন বুলবুল আহমেদ। তার বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পুরোনো।
সম্প্রতি বুলবুল আহমেদের বিরুদ্ধে পৌরসভার ঠিকাদারি করে ১৯০ টাকার ব্লকের মূল্য প্রায় ২০ গুণ বেশি এবং ৬০ টাকার সড়কবাতির পেছনে ১৫ গুণ বেশি টাকা ব্যয়ের অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে গত ১১ এপ্রিল দৈনিক কালবেলা পত্রিকায় ‘১৯০ টাকার ব্লক ৩৯০০, ৬০ টাকার সড়কবাতি ৯১০ টাকা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপরই অভিযোগ নিয়ে তদন্ত নামে পৌর প্রশাসন।
বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন পৌরসভার প্রশাসক ইসলামপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হোসাইন।
What's Your Reaction?