চট্টগ্রাম বন্দরসহ ৩ প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির অভিযোগ, অনুসন্ধানে দুদক

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) ও মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের একাধিক প্রকল্প, চুক্তি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ লক্ষ্যে চার সদস্যের অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) দুদকের একটি সূত্র জাগো নিউজকে তা নিশ্চিত করেন।  সূত্র জানায়, তিন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুদকে আসা একটি লিখিত অভিযোগ আমলে নিয়ে গত ১১ জানুয়ারি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। এজন্য গত ৫ মার্চ কমিশন চার সদস্যের অনুসন্ধান দল গঠন করে। দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত। অভিযোগে বলা হয়, বিভিন্ন উন্মুক্ত উৎসের তথ্য, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নথিপত্র, অভ্যন্তরীণ নথি ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিগত উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রাথমিক বিশ্লেষণ করা হয়। এতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন ও মোংলা বন্দর সংশ্লিষ্ট একাধিক প্রকল্প, চুক্তি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গুরুতর কাঠামোগত অনিয়ম, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অস্বচ্ছতা ও অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এসব

চট্টগ্রাম বন্দরসহ ৩ প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির অভিযোগ, অনুসন্ধানে দুদক

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি) ও মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের একাধিক প্রকল্প, চুক্তি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ লক্ষ্যে চার সদস্যের অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) দুদকের একটি সূত্র জাগো নিউজকে তা নিশ্চিত করেন। 

সূত্র জানায়, তিন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুদকে আসা একটি লিখিত অভিযোগ আমলে নিয়ে গত ১১ জানুয়ারি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক। এজন্য গত ৫ মার্চ কমিশন চার সদস্যের অনুসন্ধান দল গঠন করে। দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত।

অভিযোগে বলা হয়, বিভিন্ন উন্মুক্ত উৎসের তথ্য, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নথিপত্র, অভ্যন্তরীণ নথি ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিগত উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রাথমিক বিশ্লেষণ করা হয়। এতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন ও মোংলা বন্দর সংশ্লিষ্ট একাধিক প্রকল্প, চুক্তি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গুরুতর কাঠামোগত অনিয়ম, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অস্বচ্ছতা ও অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

প্রাথমিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এসব অনিয়মের সূত্র কিছু নির্দিষ্ট প্রকল্প ও সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে হলেও অনুসন্ধান বিস্তৃত হলে এতে বিভিন্ন প্রভাবশালী সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তার পরোক্ষ সম্পৃক্ততার বিষয়ও উঠে এসেছে।

এসএম/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow