চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাসে ব্যস্ততা

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অধীনে বন্দরে জ্বালানিবাহী বিদেশি জাহাজের ভিড় বেড়েছে। কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা এলএনজি, এলপিজি, ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলবাহী জাহাজগুলোর পণ্য খালাস কার্যক্রম বর্তমানে পুরোদমে চলছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিমের পাঠানো তথ্যে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়। বন্দর সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে কাতার থেকে এলএনজি নিয়ে আসা চারটি বড় জাহাজ—আল জুর, আল জাসাসিয়া, লুসাইল ও আল গালায়েল—সফলভাবে পণ্য খালাস সম্পন্ন করে বন্দর ত্যাগ করেছে। একই সময়ে সিঙ্গাপুর থেকে আগত ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলবাহী হানিয়া বব ক্যাট, এলান্দ্রা স্প্রুস, সিউ চি এবং লিয়ান হুয়ান হু জাহাজগুলোর খালাস কার্যক্রমও শেষ হয়েছে। এ ছাড়া ভারত থেকে আসা বেস অয়েলবাহী অ্যাঞ্জেল নম্বর ১১ এবং এলপিজিবাহী সুমি ৭ ও সেনা ইতোমধ্যে তাদের কার্গো খালাস করে বন্দর ছেড়েছে। বর্তমানে বন্দরে অবস্থানরত জাহাজগুলোর মধ্যে ওমান থেকে আগত এলপিজি সেভান কুতুবদিয়া পয়েন্টে প্রায় ৭ হাজার ২০ টন এলপিজি খালাস করছে, যা ২০ মার্চের মধ্যে

চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাসে ব্যস্ততা

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের অধীনে বন্দরে জ্বালানিবাহী বিদেশি জাহাজের ভিড় বেড়েছে। কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা এলএনজি, এলপিজি, ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলবাহী জাহাজগুলোর পণ্য খালাস কার্যক্রম বর্তমানে পুরোদমে চলছে।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিমের পাঠানো তথ্যে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে কাতার থেকে এলএনজি নিয়ে আসা চারটি বড় জাহাজ—আল জুর, আল জাসাসিয়া, লুসাইল ও আল গালায়েল—সফলভাবে পণ্য খালাস সম্পন্ন করে বন্দর ত্যাগ করেছে। একই সময়ে সিঙ্গাপুর থেকে আগত ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলবাহী হানিয়া বব ক্যাট, এলান্দ্রা স্প্রুস, সিউ চি এবং লিয়ান হুয়ান হু জাহাজগুলোর খালাস কার্যক্রমও শেষ হয়েছে।

এ ছাড়া ভারত থেকে আসা বেস অয়েলবাহী অ্যাঞ্জেল নম্বর ১১ এবং এলপিজিবাহী সুমি ৭ ও সেনা ইতোমধ্যে তাদের কার্গো খালাস করে বন্দর ছেড়েছে।

বর্তমানে বন্দরে অবস্থানরত জাহাজগুলোর মধ্যে ওমান থেকে আগত এলপিজি সেভান কুতুবদিয়া পয়েন্টে প্রায় ৭ হাজার ২০ টন এলপিজি খালাস করছে, যা ২০ মার্চের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। অন্যদিকে মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আসা চ্যাং হ্যাং হং তু ব্র্যাভো পয়েন্টে অবস্থান করছে এবং এর খালাস কার্যক্রম ১৯ মার্চের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এদিকে আজ ১৭ মার্চ অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজিবাহী প্রাচী এবং সিঙ্গাপুর থেকে ফার্নেস অয়েলবাহী লেডি অফ ডোরিয়া ও এসসি গোল্ড ওশেন বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এ ছাড়া আগামী ২০ মার্চ অ্যাঙ্গোলা থেকে এলএনজিবাহী সোনাগোল বেনগুয়েলা এবং থাইল্যান্ড থেকে বেস অয়েলবাহী এবি অলিভিয়া বন্দরে নোঙর করবে।

আগামী ২১ থেকে ২৩ মার্চের মধ্যে ওমান ও মালয়েশিয়া থেকে বুয়েক বোর্নহোম ও মর্নিং জেন নামে আরও দুটি এলপিজিবাহী জাহাজ বন্দরে আসার সূচি রয়েছে।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোর নিয়মিত আগমন ও দ্রুত খালাস কার্যক্রম দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পখাতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একইসঙ্গে আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে জ্বালানি সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে বন্দর কর্তৃপক্ষ বিশেষ নজরদারি জোরদার করেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow