চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৩০০ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মাস্কাট থেকে আসা এক যাত্রীর ব্যাগ তল্লাশি করে ৩০০ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, এন এস আই এবং কাস্টমস কর্মকর্তাদের যৌথ অভিযানে এসব সিগারেট উদ্ধার করা হয়। জব্দ হওয়া সিগারেটের বিপরীতে প্রায় ৬ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে ওমানের মাস্কাট থেকে ‘সালাম এয়ার’-এর একটি ফ্লাইটে করে আতিকুর রহমান নামের এক যাত্রী চট্টগ্রামে পৌঁছান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ও এন এস আই-এর একটি যৌথ দল ওই যাত্রীর ওপর নজরদারি বাড়ায়। পরে তার ব্যাগেজ তল্লাশি করা হলে ভেতরে ৩০০ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়। চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল জানান, অভিযুক্ত যাত্রী আতিকুর রহমানের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী এলাকায়। নিয়ম অনুযায়ী তার কাছ থেকে প্রায় ৬ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত সিগারেটগুলো ‘ডিপার্টমেন্টাল মেমোরেন্ডাম’ মূল্যে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৩০০ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মাস্কাট থেকে আসা এক যাত্রীর ব্যাগ তল্লাশি করে ৩০০ কার্টন বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, এন এস আই এবং কাস্টমস কর্মকর্তাদের যৌথ অভিযানে এসব সিগারেট উদ্ধার করা হয়। জব্দ হওয়া সিগারেটের বিপরীতে প্রায় ৬ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে ওমানের মাস্কাট থেকে ‘সালাম এয়ার’-এর একটি ফ্লাইটে করে আতিকুর রহমান নামের এক যাত্রী চট্টগ্রামে পৌঁছান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ও এন এস আই-এর একটি যৌথ দল ওই যাত্রীর ওপর নজরদারি বাড়ায়। পরে তার ব্যাগেজ তল্লাশি করা হলে ভেতরে ৩০০ কার্টন সিগারেট পাওয়া যায়।

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল জানান, অভিযুক্ত যাত্রী আতিকুর রহমানের বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী এলাকায়। নিয়ম অনুযায়ী তার কাছ থেকে প্রায় ৬ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত সিগারেটগুলো ‘ডিপার্টমেন্টাল মেমোরেন্ডাম’ মূল্যে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে ওই যাত্রীকে মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো এবং সরকারি রাজস্ব ফাঁকি রোধে বিমানবন্দরে কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। এ ধরনের চোরাচালান বিরোধী অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow