চট্টগ্রাম-১৪ আসনের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন অলি আহমেদের ছেলে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন এলডিপির প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের ছেলে ওমর ফারুক। সোমবার (৯ মার্চ) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় অলি আহমদের ছেলে ও সংসদ সদস্য প্রার্থীর পক্ষে এই আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। এ আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপির জসীম উদ্দিন আহমেদ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে জয় পেয়েছেন জসীম উদ্দিন আহমেদ। তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পান। জসীম উদ্দিনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১ দলীয় ঐক্য জোটভুক্ত লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) মনোনীত ছাতা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুক। তিনি পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান ছিল এক হাজারেরও কম ভোট এর আগে ২০ জনের বেশি প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। শুনানির জন্য আবেদনগুলো গ্রহণ করে ওইসব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে

চট্টগ্রাম-১৪ আসনের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন অলি আহমেদের ছেলে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন এলডিপির প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের ছেলে ওমর ফারুক।

সোমবার (৯ মার্চ) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় অলি আহমদের ছেলে ও সংসদ সদস্য প্রার্থীর পক্ষে এই আবেদন করা হয়েছে। এ বিষয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এ আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপির জসীম উদ্দিন আহমেদ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে জয় পেয়েছেন জসীম উদ্দিন আহমেদ। তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পান।

জসীম উদ্দিনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১ দলীয় ঐক্য জোটভুক্ত লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) মনোনীত ছাতা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুক। তিনি পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান ছিল এক হাজারেরও কম ভোট

এর আগে ২০ জনের বেশি প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। শুনানির জন্য আবেদনগুলো গ্রহণ করে ওইসব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন।

হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় এ বেঞ্চে অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারের সঙ্গে দেখা যায়, ‘২০০১ ইং সনের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ ইং সনের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র; যেসব বিষয় এ বেঞ্চে স্থানান্তরিত হইবে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদি সংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করিবেন।’

এফএইচ/এসএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow