চবিতে নিলস আঞ্চলিক মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
পঞ্চমবারের মতো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আঞ্চলিক মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) চবির আইন অনুষদে দ্য নেটওয়ার্ক ফর ইন্টারন্যাশনাল ল স্টুডেন্টস- নিলসের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকদের মতে, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ল’কলেজের নবীন আইনজীবী প্রার্থীদের জন্য একটি যুক্তিভিত্তিক লিখিত ও মৌখিক উপস্থাপনার মাধ্যমে বক্তৃতার দক্ষতা বৃদ্ধি ও বুদ্ধিবৃত্তিক কুশলতা অর্জনের সুযোগ প্রদান করা এই প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য। এছাড়া চট্টগ্রামের প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয় ও ল’ কলেজের শিক্ষার্থীদের বিপুল অংশগ্রহণ মুটিং সংস্কৃতির ক্রমবর্ধমান প্রভাব বহন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ সরওয়ার আলম বলেন, ‘মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক জ্ঞানকে প্রায়ই কল্পনার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার পরিবর্তে বাস্তব জীবনের প্রয়োগে রূপান্তর করার এক অনন্য সিঁড়ি। এটি কেবল বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা ও আইনি গবেষণার দক্ষতা গড়ে তোলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং প্রভাবশালী বিতর্ক ও যুক্তি প্রদানের কলাকে শানিত করার মঞ্চ প্রদান করে। যা একজন প্রগাঢ় এব
পঞ্চমবারের মতো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) আঞ্চলিক মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) চবির আইন অনুষদে দ্য নেটওয়ার্ক ফর ইন্টারন্যাশনাল ল স্টুডেন্টস- নিলসের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
আয়োজকদের মতে, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও ল’কলেজের নবীন আইনজীবী প্রার্থীদের জন্য একটি যুক্তিভিত্তিক লিখিত ও মৌখিক উপস্থাপনার মাধ্যমে বক্তৃতার দক্ষতা বৃদ্ধি ও বুদ্ধিবৃত্তিক কুশলতা অর্জনের সুযোগ প্রদান করা এই প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য। এছাড়া চট্টগ্রামের প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয় ও ল’ কলেজের শিক্ষার্থীদের বিপুল অংশগ্রহণ মুটিং সংস্কৃতির ক্রমবর্ধমান প্রভাব বহন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ সরওয়ার আলম বলেন, ‘মুট কোর্ট প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের তাত্ত্বিক জ্ঞানকে প্রায়ই কল্পনার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার পরিবর্তে বাস্তব জীবনের প্রয়োগে রূপান্তর করার এক অনন্য সিঁড়ি। এটি কেবল বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা ও আইনি গবেষণার দক্ষতা গড়ে তোলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং প্রভাবশালী বিতর্ক ও যুক্তি প্রদানের কলাকে শানিত করার মঞ্চ প্রদান করে। যা একজন প্রগাঢ় এবং সক্ষম আইনজীবীর ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।’
বিশেষ অতিথি বক্তব্যে মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, ‘যেখানে চট্টগ্রাম অঞ্চলে মুটিংয়ের সুযোগ সীমিত, সেখানে এই ধরনের প্রতিযোগিতা দারুন ভূমিকা পালন করে। এটি আইনবিষয়ক গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আইনি চর্চার বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করে। তাদের দক্ষতা উন্নত করেছে। এবং চট্টগ্রামে মুট কোর্টের সংস্কৃতি সুদৃঢ় করতে সাহায্য করে।’
অনুষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পুরস্কৃত হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রিদিতা রাব্বি, সাদিবা জাহান, ইভান হাসান। আব্দুল খায়রার টিম ভেরিতাস ভিনসিত। রানার-আপ হিসেবে পুরস্কৃত হয় সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের টিম লুর্ধক। বেস্ট মুটার এওয়ার্ড অর্জন করে সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের শিক্ষার্থী নাহিদা আরাবি। মোস্ট প্রমিসিং লয়ার অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফারিহা তাসনিম রুহি। বেস্ট রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. রেফাত আলী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাহামুদুল হাসানকে। বেস্ট মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড পায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিভার্সাল আনভেইলারস।
প্রোগ্রামে বিচারক প্যানেলের সদস্য ছিলেন বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন, কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত জেলা ও সেশন জজ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হোসাইন মোহাম্মদ ইউনুস সিরাজী, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর জেলা জজ সরওয়ার আলম, সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের লেকচারার নাজমুল আলম আশিক, তারিন হাসান। রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট, এ এস এন্ড অ্যাসোসিয়েটসের জারিফ উল্লাহ হেমেল। বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের লেকচারার ফাহিমা আক্তার মজুমদার, সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের লেকচারার তানজিলা আহমেদ, জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ল সোসাইটি মুটিং অ্যান্ড ডিবেটিং ক্লাবের আয়োজক সচিব হাবিবা খাতুন রিতু, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মুট কোর্ট সোসাইটি সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, নিলস বাংলাদেশের সভাপতি ফজলে রাব্বি তাওহিদ।
What's Your Reaction?