‘চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবিরোধী’ কার্ড চাইলেন আসিফ মাহমুদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ‘চাঁদাবাজবিরোধী এবং দুর্নীতিবিরোধী’ কার্ড চেয়েছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, ‘বর্তমান দেশের সবচাইতে বড় সমস্যা হচ্ছে চাঁদাবাজি এবং দুর্নীতি। এর থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বলব, আমাদের চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবিরোধী কার্ড দেন।’ সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নবগঠিত আংশিক কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘নির্বাচনের পর দেখছি, এ সরকার ভয়ানকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। শুধু জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও তারা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। আমরা এ সরকারের জনগণের গণরায় বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে দুর্বলতা দেখছি।’ তিনি বলেন, ‘সরকার একদিকে বলছে তেলের সর্বোচ্চ মজুত আছে, অন্যদিকে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ লাইন পাম্পগুলোতে দেখছি। সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়েছে। কিন্তু তারা বলছে, একে ছাপানো বলা যাবে না। তাহলে এটাকে ফটোকপি বা অন্য কিছু বলতে হ

‘চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবিরোধী’ কার্ড চাইলেন আসিফ মাহমুদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ‘চাঁদাবাজবিরোধী এবং দুর্নীতিবিরোধী’ কার্ড চেয়েছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, ‘বর্তমান দেশের সবচাইতে বড় সমস্যা হচ্ছে চাঁদাবাজি এবং দুর্নীতি। এর থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বলব, আমাদের চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবিরোধী কার্ড দেন।’

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নবগঠিত আংশিক কমিটির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘নির্বাচনের পর দেখছি, এ সরকার ভয়ানকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। শুধু জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নয়, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও তারা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। আমরা এ সরকারের জনগণের গণরায় বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে দুর্বলতা দেখছি।’

তিনি বলেন, ‘সরকার একদিকে বলছে তেলের সর্বোচ্চ মজুত আছে, অন্যদিকে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ লাইন পাম্পগুলোতে দেখছি। সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়েছে। কিন্তু তারা বলছে, একে ছাপানো বলা যাবে না। তাহলে এটাকে ফটোকপি বা অন্য কিছু বলতে হবে না কি।’

এনসিপির মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা এনসিপিকে শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়তে গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা এতটুকু নিশ্চয়তা দিতে চাই, যারা আমাদের ভোট দিতে আসবেন, তাদের একটা ভোটও আমরা নষ্ট হতে দেবো না। আমরা প্রতিটি কেন্দ্রে শক্তিশালীভাবে পাহারা দেবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের সেবা করার জন্য এনসিপির দরজা সবার জন্য খোলা। গণহত্যাকারী এবং ফ্যাসিবাদের সহযোগী, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ ছাড়া বাকি সবার জন্য আমাদের দরজা খোলা থাকবে।’

অনুষ্ঠানে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow