চাঁদার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০
পাবনার বেড়ায় শম্ভুপুর ঘাটের চাঁদা এবং মাদক ব্যবসার টাকার ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৭-১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শম্ভুপুর ঘাটে পণ্যবাহী যান থেকে নিয়মিত চাঁদাবাজি এবং এলাকায় মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হাতিগাড়া ও শম্ভুপুর গ্রামের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চাঁদাবাজির টাকার ভাগাভাগি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশিয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে এলাকা থমথমে হয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় গ্রামের অন্তত ৭-১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় শম্ভুপুর বাজারের সব দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ঘাটের দখল নিয়ে সাবেক কমিশনারদের অনুসারীরা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম কর
পাবনার বেড়ায় শম্ভুপুর ঘাটের চাঁদা এবং মাদক ব্যবসার টাকার ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৭-১০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষ পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শম্ভুপুর ঘাটে পণ্যবাহী যান থেকে নিয়মিত চাঁদাবাজি এবং এলাকায় মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে হাতিগাড়া ও শম্ভুপুর গ্রামের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চাঁদাবাজির টাকার ভাগাভাগি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশিয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে এলাকা থমথমে হয়ে পড়ে। সংঘর্ষে উভয় গ্রামের অন্তত ৭-১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় শম্ভুপুর বাজারের সব দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ঘাটের দখল নিয়ে সাবেক কমিশনারদের অনুসারীরা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাতিগাড়া গ্রামের পক্ষে সাবেক কমিশনার সালাউদ্দিন ইকবাল, জাহান খাঁ ও আলম অন্যদিকে শম্ভুপুর গ্রামের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক কমিশনার জাহিদ ও জাহাঙ্গীর। মূলত ঘাটের দখল এবং মাদক সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ নিতে এ সংঘাতের সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বেড়া মডেল থানা পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ তৎপরতায় দুপুর নাগাদ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বেড়া মডেল থানার কর্মকর্তা (ওসি) নিতাই চন্দ্র সরকার বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তার ও মাদক-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষ। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। শান্তি রক্ষায় এলাকায় পুলিশি টহলের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও নজরদারি চালাচ্ছে।’
What's Your Reaction?