চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চাঁদে শুধু ঘুরে আসা নয়, বরং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য স্থায়ী ঘাঁটি তৈরি করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি ইগনিশন নামের এক অনুষ্ঠানে চাঁদে নিয়মিত নভোচারী পাঠানোর পাশাপাশি সেখানে একটি স্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণসহ মহাকাশের আরও গভীরে অভিযান পরিচালনার মহাপরিকল্পনা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। পরিকল্পনাটি মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতীয় মহাকাশ নীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। নাসার নতুন প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান বলেন, নাসা আবারও প্রায় অসম্ভবকে সম্ভব করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই চাঁদে ফেরা, সেখানে একটি ঘাঁটি তৈরিসহ মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এই প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয় এখন বছরের হিসাবে নয়, মাসের হিসাবে গণনা করা হবে। নাসার নতুন এই পরিকল্পনা চাঁদে অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কারণ, এখন থেকে দীর্ঘ বিরতির পর বড় কোনো মিশন পরিচালনার বদলে নাসা ঘন ঘন এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য ল্যান্ডিং প্রযুক্তির ওপর জোর দেবে। এই অভিযানের প্রথম মাইলফলক হিসেবে ধরা হচ্ছে আর্টেমিস

চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

চাঁদে শুধু ঘুরে আসা নয়, বরং সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য স্থায়ী ঘাঁটি তৈরি করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি ইগনিশন নামের এক অনুষ্ঠানে চাঁদে নিয়মিত নভোচারী পাঠানোর পাশাপাশি সেখানে একটি স্থায়ী ঘাঁটি নির্মাণসহ মহাকাশের আরও গভীরে অভিযান পরিচালনার মহাপরিকল্পনা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। পরিকল্পনাটি মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতীয় মহাকাশ নীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

নাসার নতুন প্রশাসক জ্যারেড আইজ্যাকম্যান বলেন, নাসা আবারও প্রায় অসম্ভবকে সম্ভব করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই চাঁদে ফেরা, সেখানে একটি ঘাঁটি তৈরিসহ মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এই প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয় এখন বছরের হিসাবে নয়, মাসের হিসাবে গণনা করা হবে।

নাসার নতুন এই পরিকল্পনা চাঁদে অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কারণ, এখন থেকে দীর্ঘ বিরতির পর বড় কোনো মিশন পরিচালনার বদলে নাসা ঘন ঘন এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য ল্যান্ডিং প্রযুক্তির ওপর জোর দেবে। এই অভিযানের প্রথম মাইলফলক হিসেবে ধরা হচ্ছে আর্টেমিস প্রোগ্রামকে। ২০২৭ সালে আর্টেমিস ৩ মিশনের মাধ্যমে নভোচারীরা চাঁদে যাবেন এবং পরবর্তী সময়ে ছয় মাস অন্তর নিয়মিত মিশন পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

নাসার সহযোগী প্রশাসক অমিত ক্ষত্রিয়ের মতে, নতুন এই পরিকল্পনা কয়েকটি ধাপে বাস্তবায়িত হবে। প্রথম ধাপে প্রযুক্তির পরীক্ষা এবং রোবোটিক ও কার্গো মিশনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। দ্বিতীয় ধাপে প্রাথমিক অবকাঠামো তৈরি, আধা বাসযোগ্য সিস্টেম স্থাপন এবং নভোচারীদের নিয়মিত যাতায়াত নিশ্চিত করা হবে। চূড়ান্ত ধাপে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহায়তায় চাঁদে মানুষের স্থায়ী উপস্থিতি বজায় রাখা এবং একে একটি দীর্ঘমেয়াদি ঘাঁটি হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow