চাচা খুনের কয়েকমাস পর ভাতিজার মরদেহ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মোহাম্মদ আনিসুর রহমান (১৩) নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে জেলা শহরের পাওয়ার হাউস রোড এলাকায় একটি চারতলা ভবনের নিচতলার সিঁড়ির পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আনিসুর রহমান নবীনগর উপজেলার লক্ষ্মীপুর সাতঘরহাটি গ্রামের আলকাছ মিয়া ও জাহানারা বেগমের ছেলে। আনিসুরের বাড়ি নবীনগর উপজেলায় হলেও তার পরিবার জেলা শহরের পাওয়ার হাউস রোডের ওই ভবনের চতুর্থ তলায় ভাড়া থাকতেন। নিহত আনিসুর রহমান কৃষ্ণনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পুলিশ জানায়, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কয়েক মাস আগে আনিসুর রহমানের এক চাচা খুন হন। ওই হত্যা মামলায় আনিসুরের বাবা আলকাছ মিয়া আসামি হওয়ায় তারা পরিবার নিয়ে শহরে ভাড়া বাসায় থাকছিলেন। শুক্রবার রাতে ভবনের নিচতলার সিঁড়ির পাশে আনিসুরের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবারের অভিযোগ, এ ঘটনার পেছনে আনিসুরের চাচাতো ভাইদের হাত থাকতে পারে। তবে পুলিশ বলছে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম. এম. রকীব উর রাজা জানা

চাচা খুনের কয়েকমাস পর ভাতিজার মরদেহ উদ্ধার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মোহাম্মদ আনিসুর রহমান (১৩) নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে জেলা শহরের পাওয়ার হাউস রোড এলাকায় একটি চারতলা ভবনের নিচতলার সিঁড়ির পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আনিসুর রহমান নবীনগর উপজেলার লক্ষ্মীপুর সাতঘরহাটি গ্রামের আলকাছ মিয়া ও জাহানারা বেগমের ছেলে।

আনিসুরের বাড়ি নবীনগর উপজেলায় হলেও তার পরিবার জেলা শহরের পাওয়ার হাউস রোডের ওই ভবনের চতুর্থ তলায় ভাড়া থাকতেন। নিহত আনিসুর রহমান কৃষ্ণনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশ জানায়, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কয়েক মাস আগে আনিসুর রহমানের এক চাচা খুন হন। ওই হত্যা মামলায় আনিসুরের বাবা আলকাছ মিয়া আসামি হওয়ায় তারা পরিবার নিয়ে শহরে ভাড়া বাসায় থাকছিলেন।

শুক্রবার রাতে ভবনের নিচতলার সিঁড়ির পাশে আনিসুরের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে।

পরিবারের অভিযোগ, এ ঘটনার পেছনে আনিসুরের চাচাতো ভাইদের হাত থাকতে পারে। তবে পুলিশ বলছে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম. এম. রকীব উর রাজা জানান, এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি হত্যাকাণ্ড তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশ রাতেই ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow