চার দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রে রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলা 

ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানি ক্যামিলা চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন। সোমবার তারা যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট অ্যান্ড্রুজ বেসে অবতরণ করেন। যেখানে তাদের স্বাগত জানান কূটনৈতিক ও সরকারি কর্মকর্তারা।    সোমবার (২৭ এপ্রিল) আলজাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এ সফরকে রাজা চার্লসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সফরগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণার ২৫০ বছর পূর্তিকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা হয়েছে সফরটি। প্রায় দুই দশক পর কোনো ব্রিটিশ রাজার যুক্তরাষ্ট্র সফর এটি।   বিমান থেকে নামার পর রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলাকে ব্রিটিশ ও মার্কিন জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অভ্যর্থনা জানানো হয়। এরপর তারা সরাসরি হোয়াইট হাউসে যান। যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাদের একটি ব্যক্তিগত বৈঠক হয়েছে।  সফরসূচিতে আরও রয়েছে মার্কিন কংগ্রেসে ভাষণ দেওয়া, হোয়াইট হাউসে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে অংশ নেওয়া এবং নিউইয়র্ক সিটিতে একটি সফর। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক কিছুটা টানাপোড়েনের মধ্যেই এ সফরে এসেছেন ব্রিটিশ রাজা-রানি। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার পর দুই দেশের মধ্যে রাজনৈত

চার দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রে রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলা 
ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানি ক্যামিলা চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন। সোমবার তারা যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট অ্যান্ড্রুজ বেসে অবতরণ করেন। যেখানে তাদের স্বাগত জানান কূটনৈতিক ও সরকারি কর্মকর্তারা।    সোমবার (২৭ এপ্রিল) আলজাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এ সফরকে রাজা চার্লসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সফরগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণার ২৫০ বছর পূর্তিকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা হয়েছে সফরটি। প্রায় দুই দশক পর কোনো ব্রিটিশ রাজার যুক্তরাষ্ট্র সফর এটি।   বিমান থেকে নামার পর রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলাকে ব্রিটিশ ও মার্কিন জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অভ্যর্থনা জানানো হয়। এরপর তারা সরাসরি হোয়াইট হাউসে যান। যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাদের একটি ব্যক্তিগত বৈঠক হয়েছে।  সফরসূচিতে আরও রয়েছে মার্কিন কংগ্রেসে ভাষণ দেওয়া, হোয়াইট হাউসে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে অংশ নেওয়া এবং নিউইয়র্ক সিটিতে একটি সফর। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক কিছুটা টানাপোড়েনের মধ্যেই এ সফরে এসেছেন ব্রিটিশ রাজা-রানি। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার পর দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক আলোচনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।  বিশ্লেষকদের মতে, এ সফর দুই দেশের দীর্ঘ ঐতিহাসিক সম্পর্ক পুনরায় জোরদার করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow