চার মাস লুকিয়ে রেখেছিলেন মেয়ের মরদেহ, দুর্গন্ধ ঢাকতে পারফিউম ব্যবহার

ভারতের উত্তরপ্রদেশে নিজের মেয়ের মরদেহ চার মাস ধরে ঘরের ভেতর লুকিয়ে রাখার অভিযোগে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।       আনন্দবাজার পত্রিকায় শুক্রবার (৮ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত উদয়ভানু বিশ্বাসের (৭২) মেয়ে প্রিয়ঙ্কা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। গত বছরের ডিসেম্বরে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে মেয়ের শেষকৃত্য না করে বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘরে মরদেহ লুকিয়ে রাখেন উদয়ভানু। দুর্গন্ধ যাতে বাইরে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য নিয়মিত ঘরে পারফিউম ছিটাতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। মেয়ের মৃত্যুর কষ্ট সহ্য করতে না পেরে তিনি এমনটি করেছেন বলে জানা যায়।  গত এপ্রিলে বিষয়টি সামনে আসে। স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে উদয়ভানুকে দেখে কয়েকজন আত্মীয় প্রিয়াঙ্কার খোঁজ জানতে চান। প্রথমে তিনি জানান, চিকিৎসার জন্য মেয়েকে দেরাদুনের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু কথাবার্তায় অসংগতি ধরা পড়লে আত্মীয়দের সন্দেহ হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি মেয়ের মৃত্যুর কথা স্বীকার করেন এবং জানান, মরদেহ বাড়িতেই রাখা আছে।  খবর পেয়ে পুলিশ বাড়িতে গিয়ে বন্ধ ঘর থেকে একটি পচনশীল কঙ্কা

চার মাস লুকিয়ে রেখেছিলেন মেয়ের মরদেহ, দুর্গন্ধ ঢাকতে পারফিউম ব্যবহার

ভারতের উত্তরপ্রদেশে নিজের মেয়ের মরদেহ চার মাস ধরে ঘরের ভেতর লুকিয়ে রাখার অভিযোগে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।      

আনন্দবাজার পত্রিকায় শুক্রবার (৮ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত উদয়ভানু বিশ্বাসের (৭২) মেয়ে প্রিয়ঙ্কা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। গত বছরের ডিসেম্বরে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে মেয়ের শেষকৃত্য না করে বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘরে মরদেহ লুকিয়ে রাখেন উদয়ভানু। দুর্গন্ধ যাতে বাইরে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য নিয়মিত ঘরে পারফিউম ছিটাতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। মেয়ের মৃত্যুর কষ্ট সহ্য করতে না পেরে তিনি এমনটি করেছেন বলে জানা যায়। 

গত এপ্রিলে বিষয়টি সামনে আসে। স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে উদয়ভানুকে দেখে কয়েকজন আত্মীয় প্রিয়াঙ্কার খোঁজ জানতে চান। প্রথমে তিনি জানান, চিকিৎসার জন্য মেয়েকে দেরাদুনের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু কথাবার্তায় অসংগতি ধরা পড়লে আত্মীয়দের সন্দেহ হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি মেয়ের মৃত্যুর কথা স্বীকার করেন এবং জানান, মরদেহ বাড়িতেই রাখা আছে। 

খবর পেয়ে পুলিশ বাড়িতে গিয়ে বন্ধ ঘর থেকে একটি পচনশীল কঙ্কাল উদ্ধার করে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কঙ্কালটি প্রিয়াঙ্কার বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ঘটনায় উদয়ভানুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ পুরো ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow