চার হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে ইফতার করালো যবিপ্রবি প্রশাসন

আবাসিক ও অনাবাসিক চার হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে নিয়ে কেন্দ্রীয় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) প্রশাসন। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ কেন্দ্রীয় ইফতার কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও অংশগ্রহণ করেন। শুক্রবার (৬ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ছাত্রদের জন্য এবং বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান জিমনেসিয়ামে ছাত্রীদের জন্য পৃথকভাবে এ গণ-ইফতারের আয়োজন করা হয়। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই কেন্দ্রীয় ইফতারে অংশ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিব বলেন, “যবিপ্রবিতে এই প্রথম কেন্দ্রীয়ভাবে ইফতারের আয়োজন একটি মহৎ ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। হাজার হাজার শিক্ষার্থী একসাথে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে পারবে।” বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী তাসনিয়া ইসলাম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এত বড় পরিসরে

চার হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে ইফতার করালো যবিপ্রবি প্রশাসন

আবাসিক ও অনাবাসিক চার হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে নিয়ে কেন্দ্রীয় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) প্রশাসন। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ কেন্দ্রীয় ইফতার কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও অংশগ্রহণ করেন।

শুক্রবার (৬ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ছাত্রদের জন্য এবং বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান জিমনেসিয়ামে ছাত্রীদের জন্য পৃথকভাবে এ গণ-ইফতারের আয়োজন করা হয়।

প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই কেন্দ্রীয় ইফতারে অংশ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী সাকিব বলেন, “যবিপ্রবিতে এই প্রথম কেন্দ্রীয়ভাবে ইফতারের আয়োজন একটি মহৎ ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। হাজার হাজার শিক্ষার্থী একসাথে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে পারবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী তাসনিয়া ইসলাম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এত বড় পরিসরে ছাত্রীদের জন্য আলাদা স্থানে ইফতারের ব্যবস্থা করা আমাদের জন্য স্বস্তিদায়ক হয়েছে। একসাথে এত শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে ইফতারের এই মুহূর্তটি অনেক সুন্দর ও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

ইফতার মাহফিলের আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এস এম নূর আলম সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা সর্বাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি। সবার সহযোগিতায় এত বড় আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাই।”

ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ বলেন, “রমজান মাস ধৈর্য, ত্যাগ ও আত্মসংযমের মাস। এই মাস আমাদের মানবিকতা, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয়। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের সবাইকে কল্যাণ দান করেন এবং আমাদের জীবনে শান্তি ও বরকত নাজিল করেন। যবিপ্রবি পরিবারের প্রতিটি সদস্যের জন্য আমরা দোয়া করি এবং আমাদের মাঝে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ঐক্যের বন্ধন আরও দৃঢ় হোক, এই কামনা করি।”

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow