চিকিৎসা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগ নগরবাসীর জন্য ইতিবাচক
চট্টগ্রামের জনগণের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে সেনাবাহিনী অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণে এগিয়ে আসতে চাইছে এটি নগরবাসীর জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) টাইগারপাসে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক মানের একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল ও আধুনিক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি প্রতিনিধি দলের মতবিনিময় সভা হয়েছে। সভায় সেনাবাহিনীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কর্নেল এডমিন খলিলুল্লাহ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন এবং মেজর আনিছুর রহমান। সভায় প্রতিনিধি দলটি কালুরঘাট বিএফআইডিসি সড়কের পাশে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রায় আট একর জায়গায় একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা করে। সংশ্লিষ্টরা জানান, চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক মানের এই হাসপাতাল নির্মাণ করা হলে নগরবাসী স্বল্প ব্যয়ে নিজ শহরেই উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবেন। একই সঙ্গে চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী রোগীর সংখ্যা কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার অপচয়ও হ্রাস পাবে। প্রস্তাবিত হাসপাতালটিতে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচা
চট্টগ্রামের জনগণের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে সেনাবাহিনী অত্যাধুনিক হাসপাতাল নির্মাণে এগিয়ে আসতে চাইছে এটি নগরবাসীর জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) টাইগারপাসে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক মানের একটি অত্যাধুনিক হাসপাতাল ও আধুনিক পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি প্রতিনিধি দলের মতবিনিময় সভা হয়েছে। সভায় সেনাবাহিনীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কর্নেল এডমিন খলিলুল্লাহ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন এবং মেজর আনিছুর রহমান।
সভায় প্রতিনিধি দলটি কালুরঘাট বিএফআইডিসি সড়কের পাশে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রায় আট একর জায়গায় একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা করে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক মানের এই হাসপাতাল নির্মাণ করা হলে নগরবাসী স্বল্প ব্যয়ে নিজ শহরেই উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবেন। একই সঙ্গে চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী রোগীর সংখ্যা কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার অপচয়ও হ্রাস পাবে।
প্রস্তাবিত হাসপাতালটিতে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও নামমাত্র মূল্যে অথবা বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাবেন বলে জানানো হয়। সভায় হাসপাতালের সম্ভাব্য অবকাঠামো, সুযোগ-সুবিধা এবং পরিচালনা পদ্ধতি নিয়ে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা মেয়রের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় মেয়র দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেন।
সভায় নগরীর বিনোদন ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়। মেয়র বলেন, একসময় নগরীর সুস্থ বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র ছিল সার্কিট হাউসের সামনে অবস্থিত শিশু পার্ক, যা বর্তমানে অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে। পার্কটি পুনর্নির্মাণ করে আধুনিক বিনোদনকেন্দ্রে রূপ দেওয়া গেলে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের জন্য স্বাস্থ্যকর বিনোদনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তিনি আরও বলেন, নতুনভাবে নির্মিত পার্কে কোনো স্থায়ী বাণিজ্যিক স্থাপনা থাকবে না, এটি হবে সম্পূর্ণ সুস্থ বিনোদনের জন্য উন্মুক্ত একটি স্থান। সেনাবাহিনী ভূমি সহায়তা দিলে চসিক প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে এগিয়ে আসবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, আইন কর্মকর্তা মহিউদ্দিন মুরাদ, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান এবং প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল।
এমআরএএইচ/এসএনআর
What's Your Reaction?