চিপসের প্যাকেটে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় চিপসের প্যাকেটের ভেতর লুকিয়ে রাখা ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন। এরআগে সোমবার রাতে নোয়াখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীনারায়ণপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃত আফসার উদ্দিন (৩২) কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার উলুচামরী গ্রামের দক্ষিণ হিল্লাএলাকার বাসিন্দা। তিনি ফরিদ আলমের ছেলে। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা শহর মাইজদীর মেসার্স আব্দুল হক পেট্রোল পাম্পের সামনে পাকা সড়কে বাঁধন পরিবহনের একটি গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় আফসারকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ লতল্লাশি করে জিন্স প্যান্টের পকেটে রাখা কালো কসটেপে মোড়ানো একটি চিপসের প্যাকেটের ভেতর থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তিনি কক্সবাজার থেকে ইয়াবা এনে নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতেন। ডিবির ওসি মো. মহিউদ্দিন আরও বলেন, এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলা
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় চিপসের প্যাকেটের ভেতর লুকিয়ে রাখা ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন। এরআগে সোমবার রাতে নোয়াখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীনারায়ণপুর এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আফসার উদ্দিন (৩২) কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার উলুচামরী গ্রামের দক্ষিণ হিল্লাএলাকার বাসিন্দা। তিনি ফরিদ আলমের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা শহর মাইজদীর মেসার্স আব্দুল হক পেট্রোল পাম্পের সামনে পাকা সড়কে বাঁধন পরিবহনের একটি গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় আফসারকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ লতল্লাশি করে জিন্স প্যান্টের পকেটে রাখা কালো কসটেপে মোড়ানো একটি চিপসের প্যাকেটের ভেতর থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তিনি কক্সবাজার থেকে ইয়াবা এনে নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতেন।
ডিবির ওসি মো. মহিউদ্দিন আরও বলেন, এ ঘটনায় সুধারাম মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।
What's Your Reaction?