চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন নিজ বাড়িতে নিহত সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি

সিলেট নগরীতে বাসার ভেতরে খুন হওয়া ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার ও সুরাইয়া বেগম দম্পতির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বাদ আসর নগরীর শাহী ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে তাদের মরদেহ নয়াসড়কে হযরত মানিক পীর (রহ.) মাজার সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দম্পতির একমাত্র ছেলে আরিফ ইফতেখার বলেন, ‘আমার বাবা যদি কোনো ভুল করেন, আপনারা ক্ষমা করে দেবেন। আর কেউ তার কাছে টাকা-পয়সা পেয়ে থাকলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।’ দাফন ও জানাজায় অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আব্দুস সাত্তার ও সুরাইয়া বেগম দম্পতির একমাত্র ছেলে ও এক মেয়ে আজ দেশে ফিরেন। এরআগে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) যুক্তরাজ্য থেকে দেশ ফেরেন তাদের দুই মেয়ে। আরও পড়ুন সিলেটে ৩ খুন / গৃহকর্মীর সঙ্গে প্রেম, বাসায় ঢুকে ঝগড়ার সময় একে একে তিনজনকে হত্যা   এ ঘটনায় নিহত ওই দম্পতির গৃহকর্মী তাহমিনা আক্তারের মরদেহও দাফন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সদর উপজেলার রায়গর এলাকায় তার নিজ এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে নগরীর রায়নগরে নিজ বাসা থেকে আব্দুস সাত্তার (৯০), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন নিজ বাড়িতে নিহত সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতি

সিলেট নগরীতে বাসার ভেতরে খুন হওয়া ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার ও সুরাইয়া বেগম দম্পতির দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বাদ আসর নগরীর শাহী ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে তাদের মরদেহ নয়াসড়কে হযরত মানিক পীর (রহ.) মাজার সংলগ্ন কবরস্থানে দাফন করা হয়।

জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দম্পতির একমাত্র ছেলে আরিফ ইফতেখার বলেন, ‘আমার বাবা যদি কোনো ভুল করেন, আপনারা ক্ষমা করে দেবেন। আর কেউ তার কাছে টাকা-পয়সা পেয়ে থাকলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।’

দাফন ও জানাজায় অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আব্দুস সাত্তার ও সুরাইয়া বেগম দম্পতির একমাত্র ছেলে ও এক মেয়ে আজ দেশে ফিরেন। এরআগে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) যুক্তরাজ্য থেকে দেশ ফেরেন তাদের দুই মেয়ে।

 

এ ঘটনায় নিহত ওই দম্পতির গৃহকর্মী তাহমিনা আক্তারের মরদেহও দাফন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সদর উপজেলার রায়গর এলাকায় তার নিজ এলাকায় দাফন সম্পন্ন হয়।

এর আগে বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে নগরীর রায়নগরে নিজ বাসা থেকে আব্দুস সাত্তার (৯০), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) ও তাদের কাজের মেয়ে তাহমিনার (১৮) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের চার ঘণ্টার মধ্যেই বাবুল মিয়া নামের একজনকে আটক করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

পুলিশের দাবি, গৃহকর্মী তাহমিনা বেগমের সঙ্গে বাবুল মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ঘটনার দিন সকালে তাহমিনা বাবুলকে ঘরে প্রবেশ করান। এরপর তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির জেরে তাহমিনাসহ তিনজনকেই কুপিয়ে হত্যা করেন বাবুল মিয়া।

হত্যাকাণ্ডের পর বাবুল মিয়া বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যান এবং কাছের একটি ঝোপে ছুরিটি ফেলে দেন। পরে সিসিটিভি ফুটেজের সহায়তায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়। ঝোপ থেকে ছুরি উদ্ধার করে পুলিশ।

আহমেদ জামিল/সিলেট 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow