চীনের এআইয়ের কাছে ধরাশায়ী যুক্তরাষ্ট্রের বি-২ বোমারু বিমান
যুক্তরাষ্ট্রের কপালে চিন্তার ভাঁজ। বিশ্ব সামরিক প্রযুক্তিতে কি তবে নতুন কোনো সমীকরণ তৈরি হচ্ছে? যে স্টেলথ প্রযুক্তিকে ভর করে যুক্তরাষ্ট্র এত দিন নিজেদের প্রায় অপ্রতিরোধ্য শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছিল, সেই প্রযুক্তিই কি এখন চ্যালেঞ্জের মুখে? ইরান যুদ্ধের আবহের মধ্যেই চীনের একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের দাবি ঘিরে এমন প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।
চীনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আধুনিক ও গোপনীয় স্টেলথ বোমারু বিমান বি-২ স্পিরিট যাকে অদৃশ্য যুদ্ধবিমান বলা হয় সেটিকেই নাকি মাঝ আকাশে শনাক্ত করেছে বেইজিংয়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সিস্টেম। শুধু শনাক্তই নয়, চারটি বি-২ বিমানের অবস্থান ও সম্ভাব্য গতিপথও তারা ট্র্যাক করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর ১ মার্চ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে চারটি বি-২ বোমারু বিমান সক্রিয় ছিল। ওই সময় বেইজিংয়ের হাংঝৌভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জিংগান টেকনোলজি দাবি করে, তাদের যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ সিস্টেম বিমানগুলোর রেডিও সিগন্যাল শনাক্ত করেছে। পাশাপাশি এআই সিস্টেমটি ওপেন সোর্স তথ্য, স্যাটেলাইট ডেটা ও সামরিক গতিবিধি বিশ্লেষণ করে পুরো ফ্লাইটপ
যুক্তরাষ্ট্রের কপালে চিন্তার ভাঁজ। বিশ্ব সামরিক প্রযুক্তিতে কি তবে নতুন কোনো সমীকরণ তৈরি হচ্ছে? যে স্টেলথ প্রযুক্তিকে ভর করে যুক্তরাষ্ট্র এত দিন নিজেদের প্রায় অপ্রতিরোধ্য শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছিল, সেই প্রযুক্তিই কি এখন চ্যালেঞ্জের মুখে? ইরান যুদ্ধের আবহের মধ্যেই চীনের একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের দাবি ঘিরে এমন প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।
চীনের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আধুনিক ও গোপনীয় স্টেলথ বোমারু বিমান বি-২ স্পিরিট যাকে অদৃশ্য যুদ্ধবিমান বলা হয় সেটিকেই নাকি মাঝ আকাশে শনাক্ত করেছে বেইজিংয়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সিস্টেম। শুধু শনাক্তই নয়, চারটি বি-২ বিমানের অবস্থান ও সম্ভাব্য গতিপথও তারা ট্র্যাক করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর ১ মার্চ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে চারটি বি-২ বোমারু বিমান সক্রিয় ছিল। ওই সময় বেইজিংয়ের হাংঝৌভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জিংগান টেকনোলজি দাবি করে, তাদের যুদ্ধ পর্যবেক্ষণ সিস্টেম বিমানগুলোর রেডিও সিগন্যাল শনাক্ত করেছে। পাশাপাশি এআই সিস্টেমটি ওপেন সোর্স তথ্য, স্যাটেলাইট ডেটা ও সামরিক গতিবিধি বিশ্লেষণ করে পুরো ফ্লাইটপথও পুনর্গঠন করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এছাড়া ৬ ফেব্রুয়ারি থেকেই তারা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক প্রস্তুতি ও সেনা মোতায়েনের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করছিল বলেও জানানো হয়েছে।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১ মার্চ বিশেষভাবে এই বি-২ বিমানের গতিবিধি ট্র্যাক করা হয়। পরে দাবি করা হয়, অভিযান শেষে ফেরার সময়ও তাদের রেডিও ট্রান্সমিশন ধরা পড়েছিল।
বি-২ স্পিরিট যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে উন্নত স্টেলথ বোমারু বিমানগুলোর একটি, যা রাডার ফাঁকি দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে তৈরি। ইরাক, আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযানে এই বিমান ব্যবহৃত হয়েছে।
যদি সত্যিই এআই সিস্টেম স্টেলথ বিমানের গতিবিধি শনাক্ত করতে পারে, তবে তা বিশ্ব সামরিক প্রযুক্তিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হতে পারে। তবে অনেকেই এই দাবি এখনই পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য বলে মানতে রাজি নন। কারণ চীন এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ, তথ্য বা স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য ডেটা প্রকাশ করেনি। ফলে বিষয়টি ঘিরে একদিকে বিস্ময় ও আলোচনা থাকলেও, অন্যদিকে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে- এটি কি সত্যিই প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, নাকি কৌশলগত প্রচারণা?