চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী

চীনের দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে বুলেট ট্রেনে করে বেইজিংয়ের পথে যাত্রা করেন তিনি। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। বেইজিংয়ে পৌঁছানোর পর শুরু হবে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফরের মূল কর্মসূচি। আগামী ২৫ ও ২৬ জুন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন তিনি। এর আগে বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় চীনের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ সম্মেলনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ‘নতুন চ্যাম্পিয়নদের ১৭তম বার্ষিক সভা’ শীর্ষক এই সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি গিনি, কাজাখস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া ও মন্টিনিগ্রোর সরকারপ্রধানরা অংশ নেন। সম্মেলনে বিশ্বের ৯০টির বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনীতি, ব্যবসা, শিক্ষা ও গণমাধ্যম খাতের ১ হাজার ৭০০ জনের বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের এই আয়োজনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নতুন বিনিয়

চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী

চীনের দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে বুলেট ট্রেনে করে বেইজিংয়ের পথে যাত্রা করেন তিনি। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

বেইজিংয়ে পৌঁছানোর পর শুরু হবে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফরের মূল কর্মসূচি। আগামী ২৫ ও ২৬ জুন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন তিনি।

এর আগে বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় চীনের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ সম্মেলনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘নতুন চ্যাম্পিয়নদের ১৭তম বার্ষিক সভা’ শীর্ষক এই সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি গিনি, কাজাখস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া ও মন্টিনিগ্রোর সরকারপ্রধানরা অংশ নেন।

সম্মেলনে বিশ্বের ৯০টির বেশি দেশ ও অঞ্চল থেকে রাজনীতি, ব্যবসা, শিক্ষা ও গণমাধ্যম খাতের ১ হাজার ৭০০ জনের বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের এই আয়োজনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow