চীনে সফল মাইক্রোটিক প্রশিক্ষণ পরিচালনা করলো তিতাস সরকার

তথ্যপ্রযুক্তি ও নেটওয়ার্কিং প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সুনাম আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলেন দেশের অন্যতম মাইক্রোটিক সার্টিফায়েড ট্রেইনার তিতাস সরকার। সম্প্রতি চীনে অনুষ্ঠিত একটি মাইক্রোটিক প্রশিক্ষণ সেশন তিনি সফলভাবে পরিচালনা করেছে, যেখানে স্থানীয় নেটওয়ার্কিং পেশাজীবী ও প্রযুক্তিপ্রেমীরা অংশগ্রহণ করেন। তিতাস সরকার বাংলাদেশ ভিত্তিক আইটি প্রশিক্ষণ ও নেটওয়ার্কিং প্রতিষ্ঠান টিসফট আইট-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী। তিনি মাইক্রোটিক-এর সবগুলো (১০টি) আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন অর্জন করেছেন এবং এ পর্যন্ত বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। তার এই অর্জনের তালিকায় এবার যুক্ত হলো প্রযুক্তির অন্যতম পরাশক্তি চীন। প্রশিক্ষণ সেশন প্রসঙ্গে তিতাস সরকার বলেন, ‘নেটওয়ার্কিং জ্ঞানের কোনো সীমানা নেই। বাংলাদেশের একজন প্রশিক্ষক হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমাদের দক্ষতা তুলে ধরতে পারাটা শুধু আমার একার নয়, পুরো দেশের জন্যই গর্বের বিষয়। আমার লক্ষ্য হলো প্রযুক্তিনির্ভর এই জ্ঞান যত বেশি সম্ভব মানুষের কাছে পৌঁছে

চীনে সফল মাইক্রোটিক প্রশিক্ষণ পরিচালনা করলো তিতাস সরকার

তথ্যপ্রযুক্তি ও নেটওয়ার্কিং প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সুনাম আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলেন দেশের অন্যতম মাইক্রোটিক সার্টিফায়েড ট্রেইনার তিতাস সরকার। সম্প্রতি চীনে অনুষ্ঠিত একটি মাইক্রোটিক প্রশিক্ষণ সেশন তিনি সফলভাবে পরিচালনা করেছে, যেখানে স্থানীয় নেটওয়ার্কিং পেশাজীবী ও প্রযুক্তিপ্রেমীরা অংশগ্রহণ করেন।

তিতাস সরকার বাংলাদেশ ভিত্তিক আইটি প্রশিক্ষণ ও নেটওয়ার্কিং প্রতিষ্ঠান টিসফট আইট-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী। তিনি মাইক্রোটিক-এর সবগুলো (১০টি) আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন অর্জন করেছেন এবং এ পর্যন্ত বাংলাদেশসহ ভারত, নেপাল, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। তার এই অর্জনের তালিকায় এবার যুক্ত হলো প্রযুক্তির অন্যতম পরাশক্তি চীন।

প্রশিক্ষণ সেশন প্রসঙ্গে তিতাস সরকার বলেন, ‘নেটওয়ার্কিং জ্ঞানের কোনো সীমানা নেই। বাংলাদেশের একজন প্রশিক্ষক হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমাদের দক্ষতা তুলে ধরতে পারাটা শুধু আমার একার নয়, পুরো দেশের জন্যই গর্বের বিষয়। আমার লক্ষ্য হলো প্রযুক্তিনির্ভর এই জ্ঞান যত বেশি সম্ভব মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।’

সেশনটিতে MikroTik RouterOS, নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ও আধুনিক নেটওয়ার্কিং কৌশল নিয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এছাড়া চীনের মাইক্রোটিক কমিউনিটি ও সম্ভাব্য ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এই অঞ্চলে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের পথও তৈরি হয়েছে বলে তিনি জানান।

দেশীয় প্রযুক্তি খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তিতাস সরকারের এই সাফল্য বাংলাদেশের তরুণ প্রযুক্তিপ্রেমী ও নেটওয়ার্কিং পেশাজীবীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের আইটি সক্ষমতার ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow