চুক্তি হলে মোজতবা খামেনির সঙ্গে বৈঠকে আপত্তি নেই ট্রাম্পের
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনির সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠকের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘পড ফোর্স ওয়ানে’ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আগ্রহের কথা জানান। পডকাস্টটি গত বুধবার প্রকাশ করা হয়। এতে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সঙ্গে চলমান যোগাযোগ কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না পৌঁছালেও দুই পক্ষের সম্পর্ক বর্তমানে ইতিবাচক ধারায় এগোচ্ছে। তার ভাষ্য, ইরানের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা বা চুক্তি সম্পন্ন হলে মোজতবা খামেনির সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের পথ উন্মুক্ত হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, এখন পর্যন্ত ইরানের নতুন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ হয়নি। তবে ভবিষ্যতে সুযোগ তৈরি হলে তিনি সেই বৈঠকে আগ্রহী। ট্রাম্প বলেন, আমি এখনো তার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাইনি। তাকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের তথ্য ও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে এলে আমি অবশ্যই তার সঙ্গে কথা বলতে চাই। তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে মোজতবা খামেনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এবং দেশটির জনগণের একটি বড় অংশ তার প্রতি আস্থা রাখে। এটি দীর্ঘদিন ধরে ঘট
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনির সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠকের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘পড ফোর্স ওয়ানে’ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ আগ্রহের কথা জানান।
পডকাস্টটি গত বুধবার প্রকাশ করা হয়। এতে ট্রাম্প বলেন, তেহরানের সঙ্গে চলমান যোগাযোগ কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না পৌঁছালেও দুই পক্ষের সম্পর্ক বর্তমানে ইতিবাচক ধারায় এগোচ্ছে। তার ভাষ্য, ইরানের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা বা চুক্তি সম্পন্ন হলে মোজতবা খামেনির সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের পথ উন্মুক্ত হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, এখন পর্যন্ত ইরানের নতুন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ হয়নি। তবে ভবিষ্যতে সুযোগ তৈরি হলে তিনি সেই বৈঠকে আগ্রহী।
ট্রাম্প বলেন, আমি এখনো তার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাইনি। তাকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের তথ্য ও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে এলে আমি অবশ্যই তার সঙ্গে কথা বলতে চাই।
তিনি আরও দাবি করেন, ইরানের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে মোজতবা খামেনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন এবং দেশটির জনগণের একটি বড় অংশ তার প্রতি আস্থা রাখে। এটি দীর্ঘদিন ধরে ঘটছে। প্রথমে তার বাবা শীর্ষ ক্ষমতায় ছিলেন, এখন তিনি। এটা তাদের বংশপরম্পরা।
এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে জনসমক্ষে অনুপস্থিত থাকায় মোজতবা খামেনিকে ঘিরে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিসহ তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হওয়ার পর থেকে মোজতবার প্রকাশ্য উপস্থিতি দেখা যায়নি। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও অনানুষ্ঠানিক সূত্রে ওই হামলায় তিনি আহত হয়েছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে, যদিও এ বিষয়ে কোনো স্বাধীন নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
ট্রাম্পের মতে, মোজতবার অনুপস্থিতি ইরানকে ঘিরে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও শান্তি আলোচনার গতি কমিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, সরাসরি যোগাযোগের পরিবর্তে বিভিন্ন বার্তা আদান-প্রদানে মধ্যস্থতাকারী ও কুরিয়ার ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, ফলে সময় বেশি লাগছে।
সম্ভাব্য বৈঠক প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, আমি সাধারণত সব পক্ষের সঙ্গেই আলোচনা করতে পছন্দ করি। সঠিক সময় ও পরিস্থিতি তৈরি হলে আমাদের সাক্ষাৎ হতে পারে। তবে সেটি পুরোপুরি ভবিষ্যৎ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। তবে আমাদের মধ্যে সম্পর্ক এখন বেশ ভালোভাবেই এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মোজতবা খামেনিকে নিয়ে ট্রাম্পের বর্তমান অবস্থান অতীতের বক্তব্যের তুলনায় অনেকটাই নমনীয়। এর আগে তিনি মোজতবাকে ইরানের নেতৃত্বের জন্য ‘অযোগ্য’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে তার বক্তব্যে কূটনৈতিক নমনীয়তার ইঙ্গিত মিলেছে।
What's Your Reaction?