চুরির অপবাদে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় মো. শাকিল নামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিহতের ময়নাতদন্ত করা হয়। এর আগে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় বিকাশ সাহা ও সোহরাব হোসেন নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নিহতের স্ত্রী রোজিনা বেগম বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। স্ত্রী রোজিনা ও পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতে সাকিল নিজের মাছের প্রজেক্ট দেখতে যায়। ফেরার পথে স্থানীয় বাসিন্দা বিকাশ সাহা ও তার কর্মচারী সোহরাব হোসেনসহ আরো ৭ জন মিলে চুরির অপবাদ দিয়ে পরিকল্পিতভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। চাঁদপুরের কচুয়া থানার ওসি মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, উপজেলার ৪ নম্বর পালাখাল মডেল ইউনিয়নের দোয়াটি বড় ব্রিজ সংলগ্ন বিকাশ সাহার পোলট্রি খামারের পাশে যুবককে পিটিয়ে হাত-পাঁ ভেঙে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফেলে রাখে। পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। মামলা দায়েরের পর দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় মো. শাকিল নামে এক মাছ ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিহতের ময়নাতদন্ত করা হয়।
এর আগে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় বিকাশ সাহা ও সোহরাব হোসেন নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। নিহতের স্ত্রী রোজিনা বেগম বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
স্ত্রী রোজিনা ও পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতে সাকিল নিজের মাছের প্রজেক্ট দেখতে যায়। ফেরার পথে স্থানীয় বাসিন্দা বিকাশ সাহা ও তার কর্মচারী সোহরাব হোসেনসহ আরো ৭ জন মিলে চুরির অপবাদ দিয়ে পরিকল্পিতভাবে পিটিয়ে হত্যা করে।
চাঁদপুরের কচুয়া থানার ওসি মো. বোরহান উদ্দিন বলেন, উপজেলার ৪ নম্বর পালাখাল মডেল ইউনিয়নের দোয়াটি বড় ব্রিজ সংলগ্ন বিকাশ সাহার পোলট্রি খামারের পাশে যুবককে পিটিয়ে হাত-পাঁ ভেঙে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফেলে রাখে। পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। মামলা দায়েরের পর দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
What's Your Reaction?