চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি, অতিষ্ঠ জনজীবন

চুয়াডাঙ্গায় জ্যৈষ্ঠ মাসে ঝড়-বৃষ্টির দাপট কমে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। বুধবার (৩ জুন) জেলায় মাঝারি তাপপ্রবাহ শুরু হয়। এদিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৪৭ শতাংশ। এদিকে তীব্র রোদ ও অসহ্য গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। বিশেষ করে দুপুরের দিকে রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল কমে গেছে। খোলা আকাশের নিচে কাজ করা শ্রমজীবী মানুষ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান জানান, বুধবার দুপুর ৩টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ তাপমাত্রা মাঝারি তাপপ্রবাহের পর্যায়ে পড়ে। একই সময়ে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৪৭ শতাংশ। তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার প্রভাবে গরমের তীব্রতা আরও বেড়েছে। দুপুরের প্রখর রোদে শহরের বিভিন্ন সড়কে মানুষের উপস্থিতি তুলনামূলক কম দেখা গেছে। প্রয়োজন ছাড়া অনেকে ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন রিকশাচালক, ভ্যানচালক, নির্মাণশ্রমিক, দিনমজুর, কৃষিশ্রমিকরা। দিনমজুর জব্বার আলী বলেন, সকাল থেকে রোদের মধ্যে কাজ করছি। গরমে শরীর একেবারে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। বারবার কাজ বন্ধ করে পানি খে

চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি, অতিষ্ঠ জনজীবন

চুয়াডাঙ্গায় জ্যৈষ্ঠ মাসে ঝড়-বৃষ্টির দাপট কমে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে। বুধবার (৩ জুন) জেলায় মাঝারি তাপপ্রবাহ শুরু হয়। এদিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৪৭ শতাংশ।

এদিকে তীব্র রোদ ও অসহ্য গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। বিশেষ করে দুপুরের দিকে রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচল কমে গেছে। খোলা আকাশের নিচে কাজ করা শ্রমজীবী মানুষ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান জানান, বুধবার দুপুর ৩টায় জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ তাপমাত্রা মাঝারি তাপপ্রবাহের পর্যায়ে পড়ে। একই সময়ে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৪৭ শতাংশ। তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার প্রভাবে গরমের তীব্রতা আরও বেড়েছে।

দুপুরের প্রখর রোদে শহরের বিভিন্ন সড়কে মানুষের উপস্থিতি তুলনামূলক কম দেখা গেছে। প্রয়োজন ছাড়া অনেকে ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন রিকশাচালক, ভ্যানচালক, নির্মাণশ্রমিক, দিনমজুর, কৃষিশ্রমিকরা।

দিনমজুর জব্বার আলী বলেন, সকাল থেকে রোদের মধ্যে কাজ করছি। গরমে শরীর একেবারে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। বারবার কাজ বন্ধ করে পানি খেতে হচ্ছে। তারপরও পেটের দায়ে কাজ করতে হয়।

রিকশাচালক লিয়াকত আলী বলেন, দুপুরের সময় রাস্তায় যাত্রীও কম থাকে। রোদের তাপে রিকশা চালানো খুব কষ্টকর। গরমে মাথা ঝিমঝিম করে, তারপরও সংসারের জন্য বের হতে হয়।

কৃষক রবিউল মিয়া বলেন, ধান ও সবজি ক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে অনেক কষ্ট হচ্ছে। রোদের কারণে বেশিক্ষণ মাঠে থাকা যায় না। গরম যদি আরও বাড়ে, তাহলে ফসলেরও ক্ষতি হতে পারে।

গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে মানুষ ছায়াযুক্ত স্থানে অবস্থান করছেন। পাশাপাশি তৃষ্ণা মেটাতে শরবত, ডাবের পানি ও বিভিন্ন ঠান্ডা পানীয়ের চাহিদাও বেড়েছে।

হুসাইন মালিক/এনএইচআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow