চুয়াডাঙ্গায় পিকনিকের টাকা নিয়ে অভিমানে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা

চুয়াডাঙ্গায় সদর উপজেলার বদরগঞ্জ আলিয়ারপুর গ্রামে পিকনিকের টাকা কম দেওয়ায় বাবার সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছে সুজন কুমার দত্ত নামে এক স্কুলছাত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সুজন কুমার দত্ত (১২) চুয়াডাঙ্গা সদরের বদরগঞ্জ আলিয়ারপুর আজিজ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। তার বাবার নাম অলক কুমার দত্ত। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে সুজনই ছিল ছোট। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সুজন পিকনিকের জন্য বাবার কাছে টাকা চান। এ সময় কম টাকা দেওয়া কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে অভিমান করে তিনি নিজ ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর ঘরের ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে দেখা যায়, সুজন গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলছেন। দ্রুত তাকে নামিয়ে আনা হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়। সুজনের নানি বলেন, আমি তাকে স্নান করতে বলে বাইরে গিয়েছিলাম। পরে ফিরে এসে দরজা বন্ধ দেখতে পাই। এরপর বিষয়টি জানতে পারি। কুতুবপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাসানুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে ম

চুয়াডাঙ্গায় পিকনিকের টাকা নিয়ে অভিমানে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা

চুয়াডাঙ্গায় সদর উপজেলার বদরগঞ্জ আলিয়ারপুর গ্রামে পিকনিকের টাকা কম দেওয়ায় বাবার সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছে সুজন কুমার দত্ত নামে এক স্কুলছাত্র। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সুজন কুমার দত্ত (১২) চুয়াডাঙ্গা সদরের বদরগঞ্জ আলিয়ারপুর আজিজ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। তার বাবার নাম অলক কুমার দত্ত। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে সুজনই ছিল ছোট।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সুজন পিকনিকের জন্য বাবার কাছে টাকা চান। এ সময় কম টাকা দেওয়া কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে অভিমান করে তিনি নিজ ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর ঘরের ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে দেখা যায়, সুজন গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলছেন। দ্রুত তাকে নামিয়ে আনা হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।

সুজনের নানি বলেন, আমি তাকে স্নান করতে বলে বাইরে গিয়েছিলাম। পরে ফিরে এসে দরজা বন্ধ দেখতে পাই। এরপর বিষয়টি জানতে পারি।

কুতুবপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাসানুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহের সৎকার সম্পন্ন করা হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পরিবারের আবেদনের পর মরদেহ সৎকারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

হুসাইন মালিক/এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow