চুয়াডাঙ্গায় মৃদু তাপপ্রবাহ, বিপর্যস্ত জনজীবন
চুয়াডাঙ্গায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ক্রমাগত তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বিপর্যস্ত জনজীবন। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একইদিন দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা ৬০ শতাংশ। চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই মৃদু তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি আপাতত চলমান থাকতে পারে। এদিকে গরমে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। ভ্যানচালক, রিকশাচালক ও দিন মজুরদের কষ্ট বেড়েছে। দুপুরের দিকে রাস্তাঘাট অনেকটাই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে কম বের হচ্ছেন। রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচতে অনেককে ছাতা বা মাথায় কাপড় ব্যবহার করতে দেখা গেছে। গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডাব, তরমুজ ও ঠাণ্ডা পানীয়র চাহিদা বেড়েছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে আখের রস ও শরবতের দোকানে ভিড় করছেন মানুষ। তবে প্রত্যাশিত বিক্রি না হওয়ায় হতাশ ব্যবসায়ীরা। শরবত বিক্রেতা আরিফ হোসেন বলেন, তীব্র গরমের কারণে ব্যবসা শুরু করেছি। কিন্তু মানুষ কম বের হওয়ায় বেচাকেনা কম। বিকেলের দিকে কিছুটা
চুয়াডাঙ্গায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ক্রমাগত তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে বিপর্যস্ত জনজীবন। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একইদিন দুপুর ১২টায় তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা ৬০ শতাংশ। চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই মৃদু তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি আপাতত চলমান থাকতে পারে।
এদিকে গরমে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। ভ্যানচালক, রিকশাচালক ও দিন মজুরদের কষ্ট বেড়েছে। দুপুরের দিকে রাস্তাঘাট অনেকটাই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘরের বাইরে কম বের হচ্ছেন। রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচতে অনেককে ছাতা বা মাথায় কাপড় ব্যবহার করতে দেখা গেছে। গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডাব, তরমুজ ও ঠাণ্ডা পানীয়র চাহিদা বেড়েছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে আখের রস ও শরবতের দোকানে ভিড় করছেন মানুষ। তবে প্রত্যাশিত বিক্রি না হওয়ায় হতাশ ব্যবসায়ীরা।
শরবত বিক্রেতা আরিফ হোসেন বলেন, তীব্র গরমের কারণে ব্যবসা শুরু করেছি। কিন্তু মানুষ কম বের হওয়ায় বেচাকেনা কম। বিকেলের দিকে কিছুটা বাড়ে। এই গরমে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ব্যবসা করাও কষ্টকর।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত গরমে হিটস্ট্রোক, ডায়রিয়াসহ নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ে। তাই সবাইকে বেশি করে পানি ও তরল খাবার গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান বলেন, চুয়াডাঙ্গায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
হুসাইন মালিক/এনএইচআর/এএসএম
What's Your Reaction?