চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিধ্বস্ত বিদায় চেলসির, কোয়ার্টারে পিএসজি

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলো থেকে লজ্জাজনকভাবে বিদায় নিয়েছে চেলসি। মঙ্গলবার রাতে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ৩-০ গোলের জয়ে প্যারিস সেন্ট-জার্মেই (পিএসজি) দুই লেগ মিলিয়ে ৮-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে। ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটে বড় ভুল করেন ডিফেন্ডার মামাদু সার। তার ভুলে বল পেয়ে সহজেই গোল করেন খভিচা কভারাতসখেলিয়া, যা ম্যাচের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ১৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। বক্সের বাইরে থেকে অসাধারণ ভলিতে গোল করে চেলসির রক্ষণভাগের দুর্বলতা স্পষ্ট করে দেন তিনি। চেলসির মিডফিল্ডার মইসেস কাইসেদো বারবার বল হারান, আর ডিফেন্সে ট্রেভো চালোবাহ মার্কিংয়ে ব্যর্থ হন। ফলে ম্যাচে ফিরতে পারেনি স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমে ১৯ বছর বয়সী সেনি মায়ুলু পিএসজির তৃতীয় গোল করেন, যা চেলসির জন্য অপমানজনক পরাজয় নিশ্চিত করে। পিএসজির গোলরক্ষক মাতভেই সাফোনভ একাধিক দারুণ সেভ করে চেলসির সম্ভাব্য গোল ঠেকিয়ে দেন। কোল পালমার ও জোয়াও পেদ্রোর প্রচেষ্টা ব্যর্থ করেন তিনি। ইনজুরির কারণে রিস জেমস ও মালো গুস্তোকে না পাওয়ায় চেলসির রক্ষণভাগ আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। ম্যাচের শেষ দিকে

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিধ্বস্ত বিদায় চেলসির, কোয়ার্টারে পিএসজি

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলো থেকে লজ্জাজনকভাবে বিদায় নিয়েছে চেলসি। মঙ্গলবার রাতে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ৩-০ গোলের জয়ে প্যারিস সেন্ট-জার্মেই (পিএসজি) দুই লেগ মিলিয়ে ৮-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে।

ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটে বড় ভুল করেন ডিফেন্ডার মামাদু সার। তার ভুলে বল পেয়ে সহজেই গোল করেন খভিচা কভারাতসখেলিয়া, যা ম্যাচের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়।

১৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। বক্সের বাইরে থেকে অসাধারণ ভলিতে গোল করে চেলসির রক্ষণভাগের দুর্বলতা স্পষ্ট করে দেন তিনি।

চেলসির মিডফিল্ডার মইসেস কাইসেদো বারবার বল হারান, আর ডিফেন্সে ট্রেভো চালোবাহ মার্কিংয়ে ব্যর্থ হন। ফলে ম্যাচে ফিরতে পারেনি স্বাগতিকরা।

দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নেমে ১৯ বছর বয়সী সেনি মায়ুলু পিএসজির তৃতীয় গোল করেন, যা চেলসির জন্য অপমানজনক পরাজয় নিশ্চিত করে।

পিএসজির গোলরক্ষক মাতভেই সাফোনভ একাধিক দারুণ সেভ করে চেলসির সম্ভাব্য গোল ঠেকিয়ে দেন। কোল পালমার ও জোয়াও পেদ্রোর প্রচেষ্টা ব্যর্থ করেন তিনি।

ইনজুরির কারণে রিস জেমস ও মালো গুস্তোকে না পাওয়ায় চেলসির রক্ষণভাগ আরও দুর্বল হয়ে পড়ে। ম্যাচের শেষ দিকে সমর্থকরাও হতাশ হয়ে স্টেডিয়াম ছাড়তে শুরু করেন।

এটি চেলসির ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় ছয় বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় হার। এর আগে ২০২০ সালে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ৭-১ ব্যবধানে হেরেছিল দলটি।

এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow