‘ছবি ব্যর্থ হলেই তা প্রতারণা নয়’, জামিন পেয়ে রাজপাল যাদব
বলিউড সিনেমায় যার অভিনয় দেখে দর্শকরা হাসি-আনন্দে মেতে থাকেন, সেই কমেডি কিং রাজপাল যাদবের জীবন যেন আইনি জটিলতায় কয়েক মাসের ব্যবধানে হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। ‘চেক বাউন্স’ মামলায় শেষমেশ জেলের ঘানিও টানতে হয়েছে তাকে। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পেয়েই রাজপাল এক সাক্ষাৎকারে প্রকাশ করলেন তার চাপা কষ্টের কথা।
ভারতীয় গণমাধ্যমের সে সাক্ষাৎকারে রাজপাল বলেন, ‘অনেকেই ভাবছেন এত বছর অভিনয় করে মাত্র ৫ কোটি রুপি শোধ করতে পারিনি! যদি এই টাকার বিষয় হতো তা হলে ২০১২-তেই শোধ করে দিতে পারতাম। কিন্তু এই ৫ কোটি রুপি ঋণ বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ১৭-২২ কোটিতে। যার কারণ ছিল আমার প্রযোজিত ছবির বক্স অফিসে ব্যর্থতা।’
জানা যায়, ‘আতা পাতা লাপাতা’ নামের যে ছবিটি তৈরি করেছিলেন রাজপাল, সেই ছবি তৈরিতে খরচ হয় প্রায় ২২ কোটি টাকা। একে সিনেমাটি তেমন ব্যবসা করতে না পারায় ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। যে কারণে, আরও আর্থিক বিপর্যয়ে পড়েন রাজপাল।
এ কারণে প্রতারণার প্রসঙ্গ উঠলে রাজপাল বলেন, ‘ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ১০০টির মধ্যে ২০টি ছবি সফল হয়, বাকি ৮০টি ব্যর্থ হয়। একটি ছবি ব্যর্থ হলেই তা প্রতারণা নয়।’
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ভারতের দিল্লির একটি সংস্
বলিউড সিনেমায় যার অভিনয় দেখে দর্শকরা হাসি-আনন্দে মেতে থাকেন, সেই কমেডি কিং রাজপাল যাদবের জীবন যেন আইনি জটিলতায় কয়েক মাসের ব্যবধানে হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। ‘চেক বাউন্স’ মামলায় শেষমেশ জেলের ঘানিও টানতে হয়েছে তাকে। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পেয়েই রাজপাল এক সাক্ষাৎকারে প্রকাশ করলেন তার চাপা কষ্টের কথা।
ভারতীয় গণমাধ্যমের সে সাক্ষাৎকারে রাজপাল বলেন, ‘অনেকেই ভাবছেন এত বছর অভিনয় করে মাত্র ৫ কোটি রুপি শোধ করতে পারিনি! যদি এই টাকার বিষয় হতো তা হলে ২০১২-তেই শোধ করে দিতে পারতাম। কিন্তু এই ৫ কোটি রুপি ঋণ বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ১৭-২২ কোটিতে। যার কারণ ছিল আমার প্রযোজিত ছবির বক্স অফিসে ব্যর্থতা।’
জানা যায়, ‘আতা পাতা লাপাতা’ নামের যে ছবিটি তৈরি করেছিলেন রাজপাল, সেই ছবি তৈরিতে খরচ হয় প্রায় ২২ কোটি টাকা। একে সিনেমাটি তেমন ব্যবসা করতে না পারায় ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। যে কারণে, আরও আর্থিক বিপর্যয়ে পড়েন রাজপাল।
এ কারণে প্রতারণার প্রসঙ্গ উঠলে রাজপাল বলেন, ‘ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ১০০টির মধ্যে ২০টি ছবি সফল হয়, বাকি ৮০টি ব্যর্থ হয়। একটি ছবি ব্যর্থ হলেই তা প্রতারণা নয়।’
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ভারতের দিল্লির একটি সংস্থা থেকে ৫ কোটি রুপি ঋণ নেন রাজপাল। পরে ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। ২০১৮ সালে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ছয় মাসের কারাদণ্ড দের, যা ২০১৯ সালে ‘সেশনস কোর্ট’ বহাল রাখে। পরবর্তীকালে সুদসহ ওই অর্থ প্রায় ৯ কোটিতে পৌঁছায়।