ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদল সভাপতি মুজাহিদ হোসেনের নেতাকর্মীরা দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।  সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে মেয়েজনিত ঘটনা নিয়ে সভাপতির দুই গ্রুপ দুপক্ষে বিভক্ত হয়ে ক্যাম্পাসে সংঘর্ষে জড়ায়। জানা যায়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল সভাপতি মুজাহিদ হোসেনের অনুসারী একাধিক গ্রুপ রয়েছে। সোমবার অমিত কবিরাজ ও মেহেদীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে দুই পক্ষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে অমিত কবিরাজের পক্ষ নেয় ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মো. রুমেল, ফয়সাল, রাসেল এবং মেহেদীর পক্ষ নেয় ইমরান, মেহেদীসহ কয়েকজন। এ সময় অমিত কবিরাজ নামের এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। সে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদুল হক ও প্রক্টর কামরুজ্জামান খান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। আহত শিক্ষার্থীকে পাবনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। অমিত কবিরাজ বলেন, রাজনৈতিক ক্ষমতার বলে মেহেদী আমাকে আঘাত করেছে। সে আমার ওপ

ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদল সভাপতি মুজাহিদ হোসেনের নেতাকর্মীরা দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। 

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে মেয়েজনিত ঘটনা নিয়ে সভাপতির দুই গ্রুপ দুপক্ষে বিভক্ত হয়ে ক্যাম্পাসে সংঘর্ষে জড়ায়।


জানা যায়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল সভাপতি মুজাহিদ হোসেনের অনুসারী একাধিক গ্রুপ রয়েছে। সোমবার অমিত কবিরাজ ও মেহেদীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে দুই পক্ষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে অমিত কবিরাজের পক্ষ নেয় ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মো. রুমেল, ফয়সাল, রাসেল এবং মেহেদীর পক্ষ নেয় ইমরান, মেহেদীসহ কয়েকজন। এ সময় অমিত কবিরাজ নামের এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। সে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।


একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদুল হক ও প্রক্টর কামরুজ্জামান খান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। আহত শিক্ষার্থীকে পাবনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অমিত কবিরাজ বলেন, রাজনৈতিক ক্ষমতার বলে মেহেদী আমাকে আঘাত করেছে। সে আমার ওপর মেয়েঘটিত মিথ্যা দোষারোপ করছে। পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের যে ভাই এসেছেন, তিনি আমাদের জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক।
মেহেদীর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান খান বলেন, তারা নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি করেছে। আমি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে গিয়েছিলাম। পরে তাদের মীমাংসা করে দেওয়া হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow