ছাত্ররাজনীতি উন্মুক্তের দাবি করল পাবিপ্রবিতে ছাত্রদল

ছাত্ররাজনীতি উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।  বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে একটি মিছিল বের করে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি প্রধান ফটক থেকে শুরু হয়ে জুলাই-৩৬ হল, স্বাধীনতা হল, স্বাধীনতা চত্বর প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে সমাপ্ত হয়। এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন পাবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি মুজাহিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কে এম তরিকুল ইসলাম, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক দেওয়ান তাফহীমুল ইসলাম, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক  ওলি উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মইন অলিভ। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মুজাহিদ হোসেন বলেন, শেখ হাসিনা স্বৈরশাসক ছিলেন। ৫ আগস্টের পর সবার স্বাধীনভাবে গণতান্ত্রিক চর্চার অধিকার তৈরী হয়েছে। একটি চক্রান্তকারিমহল আমাদের অধিকারকে খর্ব করার জন্য রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছে। আমরা বর্তমান প্রশাসনকে বলতে চাই, আমরা আমাদের অধিকার চাই। আপনারা আমাদের রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিন। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কে এম তরিকুল ইসলাম বলেন, ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হলে অনেকের

ছাত্ররাজনীতি উন্মুক্তের দাবি করল পাবিপ্রবিতে ছাত্রদল

ছাত্ররাজনীতি উন্মুক্ত করে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল। 

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে একটি মিছিল বের করে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।


মিছিলটি প্রধান ফটক থেকে শুরু হয়ে জুলাই-৩৬ হল, স্বাধীনতা হল, স্বাধীনতা চত্বর প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে সমাপ্ত হয়।


এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন পাবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি মুজাহিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কে এম তরিকুল ইসলাম, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক দেওয়ান তাফহীমুল ইসলাম, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক  ওলি উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মইন অলিভ।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মুজাহিদ হোসেন বলেন, শেখ হাসিনা স্বৈরশাসক ছিলেন। ৫ আগস্টের পর সবার স্বাধীনভাবে গণতান্ত্রিক চর্চার অধিকার তৈরী হয়েছে। একটি চক্রান্তকারিমহল আমাদের অধিকারকে খর্ব করার জন্য রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছে। আমরা বর্তমান প্রশাসনকে বলতে চাই, আমরা আমাদের অধিকার চাই। আপনারা আমাদের রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিন।


বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কে এম তরিকুল ইসলাম বলেন, ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হলে অনেকের সুবিধা হয়। রাজনীতি নিষিদ্ধ রাখলে অনেকের গদি ধরে রাখতে সুবিধা হয়। ২০২৪ সালে অবৈধভাবে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়। আমরা তখন এর প্রতিবাদ করেছিলাম কিন্তু প্রশাসন কিছু বলেনি। গত কয়েক মাসে আমরা একাধিকবার প্রশাসনকে রাজনীতি চালু করার জন্য স্মারকলিপি দিয়েছি। প্রশাসন এ বিষয়ে কোনো কর্ণপাত করছে না। অনতিবিলম্বে যদি রাজনীতি উন্মুক্ত করে দেওয়া না হয় তাহলে আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যাব। মিছিলে পাবিপ্রবি ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow