ছাদের পলেস্তারা খসে ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী আহত
রাজধানীর ঢাকা কলেজে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে মাথায় আঘাত পেয়ে এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুর ৩টার দিকে সাউথ হলের ৩১৮ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীর নাম মুশফিকুর রহমান। তিনি উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুশফিকুর রহমান কক্ষে অবস্থান করার সময় হঠাৎ ছাদের একটি অংশের পলেস্তারা খসে পড়ে। এতে তিনি আহত হন। পরে সহপাঠীরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি কিছুটা সুস্থ আছেন। আহত সেই শিক্ষার্থী বলেন, আমি দুপুরে খাওয়ার পর শুয়েছিলাম। এরপর অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে হঠাৎ আমার মাথার উপর পলেস্তারা খসে পড়ে। মাথায় প্রচুর ব্যথা পেয়েছি। এরপর আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। রুমে আমরা ২ জন ছিলাম। এ বিষয়ে কলেজ হল কমিটির আহ্বায়ক আনোয়ার মাহমুদ বলেন, বিকালের দিকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। এরপর তাকে পপুলার এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা বাবদ প্রায় দুই হাজার টাকার মতো খরচ হয়। সেটি হলের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা হলের প্রত্যেক রুমে রুমে গিয়ে বলে এসেছি যেখানে যেখানে পলেস্তারা খসে পড়া
রাজধানীর ঢাকা কলেজে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে মাথায় আঘাত পেয়ে এক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুর ৩টার দিকে সাউথ হলের ৩১৮ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থীর নাম মুশফিকুর রহমান। তিনি উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুশফিকুর রহমান কক্ষে অবস্থান করার সময় হঠাৎ ছাদের একটি অংশের পলেস্তারা খসে পড়ে। এতে তিনি আহত হন। পরে সহপাঠীরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি কিছুটা সুস্থ আছেন।
আহত সেই শিক্ষার্থী বলেন, আমি দুপুরে খাওয়ার পর শুয়েছিলাম। এরপর অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে হঠাৎ আমার মাথার উপর পলেস্তারা খসে পড়ে। মাথায় প্রচুর ব্যথা পেয়েছি। এরপর আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। রুমে আমরা ২ জন ছিলাম।
এ বিষয়ে কলেজ হল কমিটির আহ্বায়ক আনোয়ার মাহমুদ বলেন, বিকালের দিকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে। এরপর তাকে পপুলার এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা বাবদ প্রায় দুই হাজার টাকার মতো খরচ হয়। সেটি হলের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা হলের প্রত্যেক রুমে রুমে গিয়ে বলে এসেছি যেখানে যেখানে পলেস্তারা খসে পড়ার সম্ভাবনা আছে জানাবে। জানালে হলের কর্মচারীরা গিয়ে সেটি ফেলে দেবে। সে ছোট মানুষ বিষয়টি বুঝতে পারেনি।
হল সংস্কারের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার জানামতে হলের সংস্কারের জন্য প্রায় ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকার টেন্ডার হয়েছে। রমজানের আগেই কাজ শুরু হয়েছে তবে কিছুদিন ধরে কাজ বন্ধ রয়েছে।
কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস বলেন, আমার সঙ্গে হল সুপারের কথা হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীকে প্রথমে পপুলার এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে (ঢামেক) নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তার সব খরচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে আর বাকি চিকিৎসা এবং খরচ যা লাগে আমরা ব্যবস্থা নেবো।
হল সংস্কারের ব্যাপারে তিনি বলেন, হল সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে কিন্তু কয়েকদিন ধরে কাজ বন্ধ আছে। কালকে ইঞ্জিনিয়ারকে ডাকা হবে। তাদের জিজ্ঞেস করতে হবে এ অবস্থা কতদিন চলবে, কন্ট্রাকটর কতদিন কাজ ফেলে রাখবে। কাজ অর্ডার দেওয়ার পরে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে না করলে সেটা গাফিলতি হিসেবে ধরা হবে বলেও জানান তিনি।
What's Your Reaction?