ছিনতাইকারীর কবলে জাগো নিউজের সাংবাদিক, খোয়ালেন মোবাইল-টাকা

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে জাগো নিউজের ঢাকা মেডিকেল প্রতিবেদক কাজী আল আমিনের নগদ টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন, ব্যাংকের ডেবিট কার্ড ও জাতীয় পরিচয়পত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র খোয়া যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। বুধবার (১৩ মে) দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে শেরেবাংলা নগর থানার শিশুমেলার সামনে থেকে তার ব্যাগটি ছিনতাই হয়। ভুক্তভোগী সাংবাদিক বলেন, শেরেবাংলা নগর এলাকায় বিআরটিসি বাসের ভেতর থেকে ছিনতাইকারীরা আমার সবকিছু কেড়ে নেয়। বাসে উঠার আগে আমি ব্যাংকের বুথ থেকে নগদ ৯ হাজার টাকা উত্তোলন করি। হয়ত ছিনতাইকারীরা তখন থেকে আমাকে টার্গেট করে বাসে ওঠে। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, ব্যাগের ভেতরে থাকা তিনটি স্যামসাং গ্যালাক্সি স্মার্টফোন, সাউথইস্ট ব্যাংকের ডেবিট কার্ড, মেট্রো পাস, জাতীয় পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাগজপত্র হারিয়ে যায়। ভুক্তভোগী সাংবাদিক কাজী আল আমিন আরও জানান, ঘটনার সময় ট্রাফিক পুলিশের টিআই কামরুল ইসলাম সহযোগিতা করলেও ক্রাইমের পুলিশ কোনো সহযোগিতায় এগিয়ে আসেননি। আমার কাছে টাকা না থাকায় ট্রাফিক পুলিশের টিআই কামরুল

ছিনতাইকারীর কবলে জাগো নিউজের সাংবাদিক, খোয়ালেন মোবাইল-টাকা

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে জাগো নিউজের ঢাকা মেডিকেল প্রতিবেদক কাজী আল আমিনের নগদ টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন, ব্যাংকের ডেবিট কার্ড ও জাতীয় পরিচয়পত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র খোয়া যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বুধবার (১৩ মে) দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে শেরেবাংলা নগর থানার শিশুমেলার সামনে থেকে তার ব্যাগটি ছিনতাই হয়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক বলেন, শেরেবাংলা নগর এলাকায় বিআরটিসি বাসের ভেতর থেকে ছিনতাইকারীরা আমার সবকিছু কেড়ে নেয়। বাসে উঠার আগে আমি ব্যাংকের বুথ থেকে নগদ ৯ হাজার টাকা উত্তোলন করি। হয়ত ছিনতাইকারীরা তখন থেকে আমাকে টার্গেট করে বাসে ওঠে।

জিডিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, ব্যাগের ভেতরে থাকা তিনটি স্যামসাং গ্যালাক্সি স্মার্টফোন, সাউথইস্ট ব্যাংকের ডেবিট কার্ড, মেট্রো পাস, জাতীয় পরিচয়পত্র ও প্রয়োজনীয় বিভিন্ন কাগজপত্র হারিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক কাজী আল আমিন আরও জানান, ঘটনার সময় ট্রাফিক পুলিশের টিআই কামরুল ইসলাম সহযোগিতা করলেও ক্রাইমের পুলিশ কোনো সহযোগিতায় এগিয়ে আসেননি। আমার কাছে টাকা না থাকায় ট্রাফিক পুলিশের টিআই কামরুল আমাকে পাঁচশ টাকা দিয়েও সহযোগিতা করেছেন।

এ বিষয়ে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে, বিষয়টি তদন্ত চলছে।

টিটি/এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow