ছুটির আমেজেও শরীরচর্চায় ব্যস্ত নগরবাসী

ঈদের ছুটিতে রাজধানী ঢাকা অনেকটা ফাঁকা। রাস্তাঘাট প্রায় জনশূন্য এবং যানবাহন চলাচলও সীমিত। তবে এই নিস্তব্ধতার মাঝেও রমনা পার্কে বইছে ভিন্ন হাওয়া। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ ঈদের ছুটির এই অবসরেও নিয়মিত শরীর চর্চায় কোনো ছাড় দিচ্ছেন না। শনিবার (৩০ মে) ঈদের তৃতীয় দিনে রমনা পার্কে এমন চিত্রই ফুটে উঠেছে। সকাল থেকেই পার্কের বিভিন্ন প্রবেশপথে শরীরচর্চা শেষে বের হওয়া মানুষের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে। প্রাতঃ ভ্রমণকারীদের তালিকায় যেমন রয়েছেন তরুণ-তরুণী, তেমনি রয়েছে শিশু ও প্রবীণরাও। হাতিরপুলের বাসিন্দা গৃহবধূ নাজমা আক্তার জানান, এটি তার দীর্ঘদিনের অভ্যাস। ঈদের দিন না এলেও পরের দিন থেকেই তিনি পুনরায় পার্কে আসা শুরু করেছেন। তিনি বলেন, ‘রমনা পার্কে আসাটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। একদিন না আসলে শরীর কেমন যেন ম্যাজ ম্যাজ করে।’ ঈদের ছুটিতে উৎসবের খাবারের বাড়তি ক্যালোরি ঝরিয়ে শরীর ফিট রাখতে অনেককে ব্যায়ামে মগ্ন হতে দেখা গেছে। অনেককে ঘাম ঝরাতে দৌড়াতেও দেখা যায়। পুরান ঢাকার হোসনি দালান এলাকার বাসিন্দা আমানুল্লাহ বলেন, ঈদের দিন থেকে প্রত্যেক বেলায় গরুর মাংস খেয়েছেন। তাই শরীর ঠিক রাখতে ফজরের নামাজের পরেই চলে এসেছে

ছুটির আমেজেও শরীরচর্চায় ব্যস্ত নগরবাসী

ঈদের ছুটিতে রাজধানী ঢাকা অনেকটা ফাঁকা। রাস্তাঘাট প্রায় জনশূন্য এবং যানবাহন চলাচলও সীমিত। তবে এই নিস্তব্ধতার মাঝেও রমনা পার্কে বইছে ভিন্ন হাওয়া। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ ঈদের ছুটির এই অবসরেও নিয়মিত শরীর চর্চায় কোনো ছাড় দিচ্ছেন না।

শনিবার (৩০ মে) ঈদের তৃতীয় দিনে রমনা পার্কে এমন চিত্রই ফুটে উঠেছে। সকাল থেকেই পার্কের বিভিন্ন প্রবেশপথে শরীরচর্চা শেষে বের হওয়া মানুষের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে। প্রাতঃ ভ্রমণকারীদের তালিকায় যেমন রয়েছেন তরুণ-তরুণী, তেমনি রয়েছে শিশু ও প্রবীণরাও।

হাতিরপুলের বাসিন্দা গৃহবধূ নাজমা আক্তার জানান, এটি তার দীর্ঘদিনের অভ্যাস। ঈদের দিন না এলেও পরের দিন থেকেই তিনি পুনরায় পার্কে আসা শুরু করেছেন।

তিনি বলেন, ‘রমনা পার্কে আসাটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। একদিন না আসলে শরীর কেমন যেন ম্যাজ ম্যাজ করে।’

jagonews24

ঈদের ছুটিতে উৎসবের খাবারের বাড়তি ক্যালোরি ঝরিয়ে শরীর ফিট রাখতে অনেককে ব্যায়ামে মগ্ন হতে দেখা গেছে। অনেককে ঘাম ঝরাতে দৌড়াতেও দেখা যায়।

পুরান ঢাকার হোসনি দালান এলাকার বাসিন্দা আমানুল্লাহ বলেন, ঈদের দিন থেকে প্রত্যেক বেলায় গরুর মাংস খেয়েছেন। তাই শরীর ঠিক রাখতে ফজরের নামাজের পরেই চলে এসেছেন পার্কে।

শাহজাহানপুরের বাসিন্দা আতাহার আলী বলেন, ‘স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।’ তিনি দীর্ঘদিন ডায়াবেটিসের রোগী কিন্তু নিয়মিত রমনা পার্কে ব্যায়ামের মাধ্যমে রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

পার্কের ভেতরে শরীরচর্চার পাশাপাশি গেটের বাইরের পরিবেশটাও ছিল উৎসবমুখর। কেউ ব্যায়াম শেষে সতেজ থাকতে ডাব কিনে খাচ্ছেন। আবার কেউ বন্ধুদের সঙ্গে ছুটির আড্ডায় মেতে উঠছেন।

কেউবা আবার নিজের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে পার্কে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করিয়ে নিচ্ছেন। সব মিলিয়ে ঈদের ছুটির আমেজেও রমনা পার্কটি পরিণত হয়েছে স্বাস্থ্য সচেতনদের এক মিলনমেলায়।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow