ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বিএনপি কর্মীর

বগুড়ার শহরতলীতে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে এক বিএনপি কর্মী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত বিএনপি কর্মী ওই এলাকার মৃত চিকিৎসক ইয়াছিন আলীর ছেলে আরিফুল ইসলাম মুন্না (৫১) ফাঁপোড় ইউনিয়ন বিএনপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন। পুলিশ জানায়, সোমবার (২৩ মার্চ) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার ফাঁপোড় খন্দকারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৩ মার্চ) রাতে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখে ফেরার পথে মুন্নার সঙ্গে সায়েমের দেখা হয়। এ সময় তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে সায়েম ছুরি দিয়ে মুন্নার পেটে আঘাত করে। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিনের দাবি, রাত সাড়ে ১০টার দিকে ছেলের জন্য রুটি কিনতে গিয়ে ফেরার পথে ৫ থেকে ছয়জন মুন্নাকে ঘিরে ধরে ছুরিকাঘাত করে। পরে তিনি দৌড়ে বড় ভাই মাহিদুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানান। সেখান থেকে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। মাহিদুল ইসলা

ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বিএনপি কর্মীর

বগুড়ার শহরতলীতে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে এক বিএনপি কর্মী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত বিএনপি কর্মী ওই এলাকার মৃত চিকিৎসক ইয়াছিন আলীর ছেলে আরিফুল ইসলাম মুন্না (৫১) ফাঁপোড় ইউনিয়ন বিএনপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

পুলিশ জানায়, সোমবার (২৩ মার্চ) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে বগুড়া সদর উপজেলার ফাঁপোড় খন্দকারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২৩ মার্চ) রাতে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখে ফেরার পথে মুন্নার সঙ্গে সায়েমের দেখা হয়। এ সময় তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে সায়েম ছুরি দিয়ে মুন্নার পেটে আঘাত করে। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিনের দাবি, রাত সাড়ে ১০টার দিকে ছেলের জন্য রুটি কিনতে গিয়ে ফেরার পথে ৫ থেকে ছয়জন মুন্নাকে ঘিরে ধরে ছুরিকাঘাত করে। পরে তিনি দৌড়ে বড় ভাই মাহিদুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানান। সেখান থেকে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মাহিদুল ইসলাম বলেন, পাওনা টাকা নিয়ে গত বছর একটি মামলা করা হয়, মামলা তুলে নিতে প্রতিপক্ষ মুন্নাকে নিয়মিত হুমকি দিয়ে আসছিল।

বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম বলেন, ঘটনার পর অভিযুক্ত সায়েম ও তার পরিবারের সদস্যরা পালিয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় এখনো মামলা দায়ের হয়নি।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow