ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু, মা-বোন হাসপাতালে

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের লাঠির আঘাতে আক্কাস আলী (৬২) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ও কন্যা গুরুতর আহত হয়ে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ ঘাতক ছেলে গোলাপ হোসেনকে (৩২) আটক করেছে। শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার বফলগাড়ি গ্রামে ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইফতারের প্রস্তুতি চলাকালীন পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাবা আক্কাস আলীর সঙ্গে ছেলে গোলাপ হোসেনের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে গোলাপ হোসেন হাতের কাছে থাকা বাঁশের খুঁটি দিয়ে বাবার মাথায় আঘাত করেন। এ সময় মা আবেদা বেগম (৫০) ও বোন তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে গোলাপ তাদের ওপরও চড়াও হন এবং লাঠি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আক্কাস আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত মা ও মেয়ে বর্তমানে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। ঘটনার পরপর

ছেলের লাঠির আঘাতে বাবার মৃত্যু, মা-বোন হাসপাতালে

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে ছেলের লাঠির আঘাতে আক্কাস আলী (৬২) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ও কন্যা গুরুতর আহত হয়ে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ ঘাতক ছেলে গোলাপ হোসেনকে (৩২) আটক করেছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার বফলগাড়ি গ্রামে ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইফতারের প্রস্তুতি চলাকালীন পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাবা আক্কাস আলীর সঙ্গে ছেলে গোলাপ হোসেনের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে গোলাপ হোসেন হাতের কাছে থাকা বাঁশের খুঁটি দিয়ে বাবার মাথায় আঘাত করেন। এ সময় মা আবেদা বেগম (৫০) ও বোন তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে গোলাপ তাদের ওপরও চড়াও হন এবং লাঠি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করেন।

রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আক্কাস আলীকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত মা ও মেয়ে বর্তমানে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

ঘটনার পরপরই কালাই থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ছেলে গোলাপ হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পারিবারিক বিবাদের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। ঘাতক ছেলেকে আমরা আটক করেছি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বর্তমানে হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow