ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু

খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে রূপসা উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের খান মোহাম্মাদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিম্মি বেগম (৪৪) আইচগাতি ইউনিয়ন খান মোহাম্মাদপুরের বাসিন্দা হামিদুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি নাদিম ইসলামের মা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আইচগাতি ইউনিয়নের খান মোহাম্মাদপুর গ্রামের হামিদুল ইসলাম ও মিম্মি বেগমের ছেলে নাদিম ইসলাম শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে তার মা মিম্মি বেগমের ওপর চড়াও হন। পাশে থাকা গাছের একটি ডাল দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। এ ঘটনা দেখে স্থানীয়রা ওই ছেলেকে মারধর করতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ছেলেকে আটক করে নিয়ে যেতে চাইলে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে পুলিশকে বাধা দেন। আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে না দেওয়ার কারণে গ্রামের মানুষ পুলিশের ওপর হামলা চালায়। নিজেদের রক্ষার জন্য পুলিশ পাশের একটি বাড়িতে অবস্থান নেয়। ঘটনাস্থল থেকে মিম্মি বেগমের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালে রাখা হয়েছে। রূপসা উপজেলা আইচগাতি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. উজ্বল হোসেন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে ময়নাতদন্

ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু
খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে রূপসা উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের খান মোহাম্মাদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিম্মি বেগম (৪৪) আইচগাতি ইউনিয়ন খান মোহাম্মাদপুরের বাসিন্দা হামিদুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি নাদিম ইসলামের মা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আইচগাতি ইউনিয়নের খান মোহাম্মাদপুর গ্রামের হামিদুল ইসলাম ও মিম্মি বেগমের ছেলে নাদিম ইসলাম শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে তার মা মিম্মি বেগমের ওপর চড়াও হন। পাশে থাকা গাছের একটি ডাল দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। এ ঘটনা দেখে স্থানীয়রা ওই ছেলেকে মারধর করতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ছেলেকে আটক করে নিয়ে যেতে চাইলে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে পুলিশকে বাধা দেন। আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে না দেওয়ার কারণে গ্রামের মানুষ পুলিশের ওপর হামলা চালায়। নিজেদের রক্ষার জন্য পুলিশ পাশের একটি বাড়িতে অবস্থান নেয়। ঘটনাস্থল থেকে মিম্মি বেগমের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালে রাখা হয়েছে। রূপসা উপজেলা আইচগাতি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. উজ্বল হোসেন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। উত্তেজিত গ্রামবাসীর আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে খুলনা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। খুলনার সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ ও ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow