ছোট নিয়ম মানলেই বড় পরিবর্তন সম্ভব : প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, ছোট ছোট নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমেই দেশে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রবেশের সময় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি নিজেও একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। অন্যদের মতো লিফটে ওঠার জন্য নিয়ম মেনে সারিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন, যা উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। মন্ত্রী বলেন, আমরা যদি ছোট ছোট বিষয়েও আইন মেনে চলি, তাহলে দেশে পরিবর্তন আসতে বাধ্য। শৃঙ্খলা ও নিয়ম মানার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারলেই পরিবর্তন হবে দেশ। আর এর মাধ্যমে একটি উন্নত ও দায়িত্বশীল সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, সরকারি দপ্তরে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। এতে কর্মপরিবেশ আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং জনসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, মন্ত্রীর এমন আচরণ সরকারি দপ্তরে প্রচলিত ভিন্নধর্মী চর্চার বিপরীতে একটি নতুন বার্তা বহন করে। অনেকেই এটিকে সাধারণ হলেও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছে

ছোট নিয়ম মানলেই বড় পরিবর্তন সম্ভব : প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, ছোট ছোট নিয়ম মেনে চলার মাধ্যমেই দেশে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রবেশের সময় তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি নিজেও একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। অন্যদের মতো লিফটে ওঠার জন্য নিয়ম মেনে সারিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন, যা উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

মন্ত্রী বলেন, আমরা যদি ছোট ছোট বিষয়েও আইন মেনে চলি, তাহলে দেশে পরিবর্তন আসতে বাধ্য। শৃঙ্খলা ও নিয়ম মানার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে পারলেই পরিবর্তন হবে দেশ। আর এর মাধ্যমে একটি উন্নত ও দায়িত্বশীল সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, সরকারি দপ্তরে কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। এতে কর্মপরিবেশ আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং জনসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, মন্ত্রীর এমন আচরণ সরকারি দপ্তরে প্রচলিত ভিন্নধর্মী চর্চার বিপরীতে একটি নতুন বার্তা বহন করে। অনেকেই এটিকে সাধারণ হলেও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন, যা প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও সমতার সংস্কৃতি জোরদারে সহায়ক হতে পারে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও বলেন, ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে এ ধরনের আচরণিক পরিবর্তন শুরু হলে তা দ্রুতই প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে কর্মক্ষেত্রে সমতা, দায়বদ্ধতা ও পারস্পরিক সম্মানবোধ আরও সুদৃঢ় হবে।

অন্যদিকে মন্ত্রীর এই উদ্যোগকে অনেকেই ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন, যা ভবিষ্যতে সরকারি দপ্তরে নিয়ম মেনে চলার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশা প্রত্যক্ষদর্শীদের।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow