ছয় মরদেহের মধ্যে শনাক্ত ৩, বাকিদের ডিএনএ পরীক্ষা হবে
ঢাকার কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ছয়জনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে। বাকিদের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে। রোববার (৫ এপ্রিল) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান। ওসি বলেন, ‘অগ্নি দুর্ঘটনায় আমরা ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করেছি। এর মধ্যে তিনটি শনাক্ত হয়েছে। তাদের অভিভাবকরা আছেন। তাদের জিম্মায় মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হবে। যেগুলো শনাক্ত হয়নি, সেগুলো স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গের ফ্রিজে রাখা হবে। তাদের পরিবারের সদস্য যারা দাবি করছেন, তাদের ডিএনএ মিললে মরদেহগুলো তাদের জিম্মায় দেওয়া হবে।’ এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে বলেও জানান ওসি সাইফুল আলম। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১টা ১০ মিনিটে কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় গ্যাস লাইটার তৈরির টিনশেড কারখানাতে আগুন লাগে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিটের চেষ্টায় আড়াইটার দিকে তা নিয়ন্ত্রণে আসে বলে ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম কর্মকর্তা রোজিনা আক্তার জানিয়েছেন। কেআর/একিউএফ
ঢাকার কেরানীগঞ্জে গ্যাস লাইটার তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ছয়জনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় এখন পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে। বাকিদের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে।
রোববার (৫ এপ্রিল) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।
ওসি বলেন, ‘অগ্নি দুর্ঘটনায় আমরা ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করেছি। এর মধ্যে তিনটি শনাক্ত হয়েছে। তাদের অভিভাবকরা আছেন। তাদের জিম্মায় মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হবে। যেগুলো শনাক্ত হয়নি, সেগুলো স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গের ফ্রিজে রাখা হবে। তাদের পরিবারের সদস্য যারা দাবি করছেন, তাদের ডিএনএ মিললে মরদেহগুলো তাদের জিম্মায় দেওয়া হবে।’
এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে বলেও জানান ওসি সাইফুল আলম।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১টা ১০ মিনিটে কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় গ্যাস লাইটার তৈরির টিনশেড কারখানাতে আগুন লাগে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিটের চেষ্টায় আড়াইটার দিকে তা নিয়ন্ত্রণে আসে বলে ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম কর্মকর্তা রোজিনা আক্তার জানিয়েছেন।
কেআর/একিউএফ
What's Your Reaction?