জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব ক্যাম্পের দেয়াল গুঁড়িয়ে দিল সন্ত্রাসীরা
জঙ্গল সলিমপুরে গতকাল সন্ত্রাসীরা যৌথবাহিনীর ওপর সামরিক কায়দায় হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। হামলায় তারা একে-৪৭সহ বিভিন্ন ধরনের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করে বলে দাবি করা হয়েছে। জানা যায়, যৌথবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পটি সমতল এলাকায় হওয়ায় আশপাশের উঁচু পাহাড়ি টিলার সুবিধা নিয়ে সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। তারা কিছু বসতঘরের টিনের বেড়ায় গর্ত করে সেখান দিয়ে অস্ত্রের ব্যারেল বের করে গুলি চালায় বলেও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া র্যাবের জন্য নির্মাণাধীন নতুন ক্যাম্পটি এক্সকেভেটর দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হওয়া এই স্থাপনাটি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয় বলে দাবি করা হয়। অন্যদিকে, বর্তমান যৌথবাহিনীর ক্যাম্পটিও ভাঙার চেষ্টা করা হয়। তবে পাশেই একটি স্কুল থাকায় সন্ত্রাসীরা পুরো ক্যাম্পে প্রবেশ করতে পারেনি, যদিও স্কুল ভবনটি ভাঙচুর করা হয় বলে জানা গেছে। সংঘর্ষ চলাকালে ক্যাম্পের সদস্যদের সঙ্গে গোলাগুলি চলার সময় সন্ত্রাসীরা অন্যদিকে গিয়ে ভাঙচুর চালায় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া বায়েজিদ রোড ধরে যৌথবাহিনির রি-ইনফোর্সমেন্ট ঠেকাতে তারা সব কালভার্ট ভেঙ্গে ফেলেছে। ফলে গাড়ি নিয়ে বাড়তি সদস্য সাথ
জঙ্গল সলিমপুরে গতকাল সন্ত্রাসীরা যৌথবাহিনীর ওপর সামরিক কায়দায় হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। হামলায় তারা একে-৪৭সহ বিভিন্ন ধরনের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করে বলে দাবি করা হয়েছে।
জানা যায়, যৌথবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পটি সমতল এলাকায় হওয়ায় আশপাশের উঁচু পাহাড়ি টিলার সুবিধা নিয়ে সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। তারা কিছু বসতঘরের টিনের বেড়ায় গর্ত করে সেখান দিয়ে অস্ত্রের ব্যারেল বের করে গুলি চালায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া র্যাবের জন্য নির্মাণাধীন নতুন ক্যাম্পটি এক্সকেভেটর দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হওয়া এই স্থাপনাটি সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয় বলে দাবি করা হয়।
অন্যদিকে, বর্তমান যৌথবাহিনীর ক্যাম্পটিও ভাঙার চেষ্টা করা হয়। তবে পাশেই একটি স্কুল থাকায় সন্ত্রাসীরা পুরো ক্যাম্পে প্রবেশ করতে পারেনি, যদিও স্কুল ভবনটি ভাঙচুর করা হয় বলে জানা গেছে। সংঘর্ষ চলাকালে ক্যাম্পের সদস্যদের সঙ্গে গোলাগুলি চলার সময় সন্ত্রাসীরা অন্যদিকে গিয়ে ভাঙচুর চালায় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া বায়েজিদ রোড ধরে যৌথবাহিনির রি-ইনফোর্সমেন্ট ঠেকাতে তারা সব কালভার্ট ভেঙ্গে ফেলেছে। ফলে গাড়ি নিয়ে বাড়তি সদস্য সাথে সাথে জঙ্গল সেলিমপুরে দ্রুততম সময়ে প্রবেশ করতে পারেনি।তবে বাড়তি সদস্যরা ইতোমধ্যেই পায়ে হেঁটে যৌথবাহিনির ক্যাম্পে প্রবেশ করে ক্যাম্পের শক্তি বৃদ্ধি করেছে এবং পুরো জঙ্গল সলিমপুর ঘিরে অভিযান চলমান আছে।
What's Your Reaction?