জনগণের সঙ্গে ‘গভীর বিশ্বাসঘাতকতা’ করছে ইরান : ওয়াশিংটন
ইরান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীর যোদ্ধাদের ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ ইরানি জনগণের সঙ্গে ‘গভীর বিশ্বাসঘাতকতা’। খবর শাফাক নিউজের।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) ফার্সি ভাষায় দেওয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, তেহরান বিক্ষোভকারীদের দমাতে সন্ত্রাসী প্রক্সি বাহিনী মোতায়েন করেছে বলে প্রতিবেদন পাওয়া যাচ্ছে। এতে বলা হয়, ইরানের জনগণের অর্থ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে এসব গোষ্ঠীকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
পৃথক এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করে। খামেনি বলেছিলেন, বিক্ষোভকারীরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতেই রাষ্ট্রীয় স্থাপনা ধ্বংস করছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, প্রকৃত উদ্বেগের বিষয় হলো, ইরানের জনগণ ৪৭ বছরের মিথ্যা ও সরকারের ব্যর্থতা বুঝে ফেলেছে।
এ অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইরান, হিজবুল্লাহ বা ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্র্যান্ড বাজার থেকে শুরু হওয়া বিক্ষো
ইরান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীর যোদ্ধাদের ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ ইরানি জনগণের সঙ্গে ‘গভীর বিশ্বাসঘাতকতা’। খবর শাফাক নিউজের।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) ফার্সি ভাষায় দেওয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, তেহরান বিক্ষোভকারীদের দমাতে সন্ত্রাসী প্রক্সি বাহিনী মোতায়েন করেছে বলে প্রতিবেদন পাওয়া যাচ্ছে। এতে বলা হয়, ইরানের জনগণের অর্থ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে এসব গোষ্ঠীকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
পৃথক এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মন্তব্য প্রত্যাখ্যান করে। খামেনি বলেছিলেন, বিক্ষোভকারীরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুশি করতেই রাষ্ট্রীয় স্থাপনা ধ্বংস করছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, প্রকৃত উদ্বেগের বিষয় হলো, ইরানের জনগণ ৪৭ বছরের মিথ্যা ও সরকারের ব্যর্থতা বুঝে ফেলেছে।
এ অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইরান, হিজবুল্লাহ বা ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্র্যান্ড বাজার থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্রুত দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। রিয়ালের বড় দরপতন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংকট এর মূল কারণ। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত অন্তত ৫১ জন নিহত এবং ২ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।
এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান নিরাপত্তা বাহিনীকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকার স্বীকার করে আলোচনার পথ খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।