জবিতে দ্বিতীয় পর্যায়ে ১০০ কোটি টাকার গৃহনির্মাণ ঋণচুক্তি সই

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা সম্প্রসারণে দ্বিতীয় পর্যায়ে অতিরিক্ত ১০০ কোটি টাকার গৃহ নির্মাণ ঋণচুক্তি সই হয়েছে। নতুন এ চুক্তির আওতায় ২০ বছর মেয়াদে ৯ শতাংশ সুদে আবাসিক গৃহ নির্মাণ ঋণ নিতে পাবেন তারা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলনকক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মধ্যে ‘ডিড অব করপোরেট গ্যারান্টি অ্যান্ড লোন এগ্রিমেন্ট’ শীর্ষক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষে সই করেন শাখা ব্যবস্থাপক মো. গোলাম সরওয়ার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, প্রথম পর্যায়ের ঋণচুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রায় দুই বছর আবাসন ঋণ কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এ গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার মাধ্যমে পুনরায় ঋণ কার্যক্রম চালু করায় তিনি ঋণ বরাদ্দ কমিটির সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, পূর্বব

জবিতে দ্বিতীয় পর্যায়ে ১০০ কোটি টাকার গৃহনির্মাণ ঋণচুক্তি সই

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা সম্প্রসারণে দ্বিতীয় পর্যায়ে অতিরিক্ত ১০০ কোটি টাকার গৃহ নির্মাণ ঋণচুক্তি সই হয়েছে। নতুন এ চুক্তির আওতায় ২০ বছর মেয়াদে ৯ শতাংশ সুদে আবাসিক গৃহ নির্মাণ ঋণ নিতে পাবেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলনকক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবং অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মধ্যে ‘ডিড অব করপোরেট গ্যারান্টি অ্যান্ড লোন এগ্রিমেন্ট’ শীর্ষক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষে সই করেন শাখা ব্যবস্থাপক মো. গোলাম সরওয়ার।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, প্রথম পর্যায়ের ঋণচুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রায় দুই বছর আবাসন ঋণ কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এ গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার মাধ্যমে পুনরায় ঋণ কার্যক্রম চালু করায় তিনি ঋণ বরাদ্দ কমিটির সদস্যদের ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, পূর্ববর্তী চুক্তির বিভিন্ন জটিলতা ও সীমাবদ্ধতা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে। নতুন চুক্তির ফলে যেমন ঋণ কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থও সুরক্ষিত থাকবে।

ঋণ বরাদ্দ কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার পর আবাসন ঋণ কার্যক্রম পুনরায় চালু হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা উপকৃত হবেন। একই সঙ্গে এই উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক স্বার্থ রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও ঋণ বরাদ্দ কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন।

এ সময় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আলী নূর, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি ও উপ-পরিচালক (ফান্ড ও বাজেট) খন্দকার হাবিবুর রহমান, সদস্য সচিব ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার (আইন) রঞ্জন কুমার দাসসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং অগ্রণী ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই ১০০ কোটি টাকার ঋণচুক্তির মাধ্যমে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আবাসন ঋণ সুবিধা আরও সম্প্রসারিত হবে এবং দীর্ঘদিনের স্থবির থাকা ঋণ কার্যক্রম নতুন গতি পাবে।

টিএইচকিউ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow