জমি নিয়ে সংঘর্ষে নারীসহ আহত ১৫
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে জমির আইল নিয়ে সোহেল মিয়া ও তার চাচাতো ভাই জুলহাস মিয়ার লোকজনের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ৪ নারীসহ অনন্ত ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ১ নং বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের কচুয়ারচর নয়াবাড়ি গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় সোলেমা আক্তার (২৫), সেলিম মিয়া (৪০), খোকন মিয়া (৪৫), সোহেল মিয়া (৪০), শামীম মিয়া (২৩) নামে ৫ জনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বাকিদের মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কচুয়ারচর (নয়াবাড়ি) গ্রামের বাসিন্দা সোহেল মিয়া ও তার আপন চাচাতো ভাই জুলহাস মিয়াদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক জমির ভাগবাটোয়ারাসহ বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে রোববার সকাল সাড়ে আটটার দিকে সোহেল মিয়া তার লোকজনদের নিয়ে বাড়ির পাশের বিরোধপূর্ণ একটি জমিতে গিয়ে জমির আইল কাটা শুরু করেন। পরে খবর পেয়ে প্রতিপক্ষের জুলহাস মিয়া তার লোকজন নিয়ে সোহেল মিয়াসহ তার লোকজনদের বাধা দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে স
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে জমির আইল নিয়ে সোহেল মিয়া ও তার চাচাতো ভাই জুলহাস মিয়ার লোকজনের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ৪ নারীসহ অনন্ত ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ১ নং বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের কচুয়ারচর নয়াবাড়ি গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় সোলেমা আক্তার (২৫), সেলিম মিয়া (৪০), খোকন মিয়া (৪৫), সোহেল মিয়া (৪০), শামীম মিয়া (২৩) নামে ৫ জনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বাকিদের মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কচুয়ারচর (নয়াবাড়ি) গ্রামের বাসিন্দা সোহেল মিয়া ও তার আপন চাচাতো ভাই জুলহাস মিয়াদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক জমির ভাগবাটোয়ারাসহ বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে রোববার সকাল সাড়ে আটটার দিকে সোহেল মিয়া তার লোকজনদের নিয়ে বাড়ির পাশের বিরোধপূর্ণ একটি জমিতে গিয়ে জমির আইল কাটা শুরু করেন। পরে খবর পেয়ে প্রতিপক্ষের জুলহাস মিয়া তার লোকজন নিয়ে সোহেল মিয়াসহ তার লোকজনদের বাধা দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটার আঘাতে উভয় পক্ষের ৪ নারীসহ কমপক্ষে ১৫ জন গুরুতর আহত হন।
মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।